চবি উপাচার্যের পদত্যাগ চাইলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান। নিয়োগে অনিয়ম, স্বচ্ছতার অভাব এবং প্রশাসনিক বৈষম্যের অভিযোগ তুলে চবি উপাচার্যকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি সসম্মানে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় আমরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে উপচার্যের সঙ্গে শাখা ছাত্রদলের নেতাদের সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি। চবি শাখা ছাত্রদলের এই নেতা অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রশাসন কোনো জবাবদিহিতা করছে না। তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি জানান। আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে। বিগত দেড় বছরে কারা নিয়োগ পেয়েছেন, কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় তারা কত নম্বর পেয়েছেন- এসব তথ্য ছাত্রসমাজের সামনে প্রকাশ করতে হবে। আব্দুল্লাহ আল নোমান আরও অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির বৈঠকে কেবল চাকসুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অন্যান্য ছাত্রসংগঠন ও সামাজি

চবি উপাচার্যের পদত্যাগ চাইলেন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান।

নিয়োগে অনিয়ম, স্বচ্ছতার অভাব এবং প্রশাসনিক বৈষম্যের অভিযোগ তুলে চবি উপাচার্যকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি সসম্মানে পদত্যাগ করুন। অন্যথায় আমরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে উপচার্যের সঙ্গে শাখা ছাত্রদলের নেতাদের সাক্ষাৎকালে এ কথা বলেন তিনি।

চবি শাখা ছাত্রদলের এই নেতা অভিযোগ করেন, গত দেড় বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রশাসন কোনো জবাবদিহিতা করছে না। তিনি নিয়োগ প্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশের দাবি জানান।

আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে। বিগত দেড় বছরে কারা নিয়োগ পেয়েছেন, কোন প্রক্রিয়ায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় তারা কত নম্বর পেয়েছেন- এসব তথ্য ছাত্রসমাজের সামনে প্রকাশ করতে হবে।

আব্দুল্লাহ আল নোমান আরও অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা কমিটির বৈঠকে কেবল চাকসুকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অন্যান্য ছাত্রসংগঠন ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এটি একটি বৈষম্য। প্রতি পদে পদে বৈষম্য রেখে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করা যায় না। যদি প্রশাসন এসব বিষয়ে জবাবদিহিতা না করে, তবে বাংলাদেশে বৃহত্তম ছাত্রসংগঠন হিসেবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা আমাদের দায়িত্ব।

তিনি উপাচার্যকে উদ্দেশ করে বলেন, আপনি যদি এই ব্যর্থতার দায় স্বীকার করেন এবং সসম্মানে পদত্যাগ করেন, তাহলে ছাত্রসমাজ আপনাকে সম্মান জানাবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপাচার্য, উপ-উপাচার্যদ্ব এবং রেজিস্ট্রারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে ছাত্রদল। এ সময় তারা প্রশাসনকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন।

এনএইচআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow