চবিতে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের পেছনের ওয়াটারশেড এলাকায় এক শিক্ষার্থী ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। বুধবার (২০ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম এস এম ফয়সাল হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন বলে জানা যায়। ফয়সালের দাবি, এক ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে তাদের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ওই ব্যক্তি নিজেকে গরু খুঁজতে আসা বলে পরিচয় দেয়। পরে হল থেকে শিক্ষার্থীরা আসছে বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটকাতে যান ফয়সাল। এ সময় হামলাকারী ছুরি দিয়ে তার হাত, কনুই ও পেটে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে হলের শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি পাশের খালে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার জন্য ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন ফয়সাল। তিনি হামলাকারীকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এ ঘটনায় মাস্টার দা সূর্যসেন হলের ভিপি তাজীম ইবনে হাবিব এক বিবৃতিতে বলেন, লেডিস ব্লকের নিক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেসের পেছনের ওয়াটারশেড এলাকায় এক শিক্ষার্থী ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন।
বুধবার (২০ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম এস এম ফয়সাল হাসান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তিনি তার স্ত্রীর সঙ্গে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন বলে জানা যায়।
ফয়সালের দাবি, এক ব্যক্তি সন্দেহজনকভাবে তাদের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে ওই ব্যক্তি নিজেকে গরু খুঁজতে আসা বলে পরিচয় দেয়। পরে হল থেকে শিক্ষার্থীরা আসছে বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটকাতে যান ফয়সাল। এ সময় হামলাকারী ছুরি দিয়ে তার হাত, কনুই ও পেটে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে হলের শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি পাশের খালে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার জন্য ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন ফয়সাল। তিনি হামলাকারীকে দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
এ ঘটনায় মাস্টার দা সূর্যসেন হলের ভিপি তাজীম ইবনে হাবিব এক বিবৃতিতে বলেন, লেডিস ব্লকের নিকটবর্তী এলাকায় এমন হামলা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে। বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি জানান তিনি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. আবু তৈয়ব জানান, আহত শিক্ষার্থীর বাহুতে দুটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দীর বক্তব্য জানতে একাধিক কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
মোস্তাফিজুর রহমান/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?