চমেক হাসপাতালকে রোগীবান্ধব করতে মেয়রের তাগিদ
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, মানবিক ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সমাজের বিত্তবান ও সেবামনস্ক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
রোববার (২১ জুন) চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, স্বজন ও দর্শনার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে একটি ডিপ টিউবওয়েল উদ্বোধন এবং আরও একটি ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র এই আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চমেক হাসপাতাল বৃহত্তর চট্টগ্রামের লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার প্রধান কেন্দ্র। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী ও স্বজনের চাপ সামলাতে গিয়ে হাসপাতালকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
হাসপাতালের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে চসিকের এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আজ একটি ডিপ টিউবওয়েল চালু করা হয়েছে এবং আরও একটির কাজ শুরু হচ্ছে। এর ফলে হাসপাতালে আসা মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা পাবেন। প্রয়োজন হলে চসিক ভবিষ্যতেও হাসপাতালের উন্নয়ন কার্যক্রম
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন, মানবিক ও রোগীবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে সমাজের বিত্তবান ও সেবামনস্ক মানুষদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
রোববার (২১ জুন) চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, স্বজন ও দর্শনার্থীদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে একটি ডিপ টিউবওয়েল উদ্বোধন এবং আরও একটি ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র এই আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চমেক হাসপাতাল বৃহত্তর চট্টগ্রামের লাখো মানুষের চিকিৎসাসেবার প্রধান কেন্দ্র। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক রোগী ও স্বজনের চাপ সামলাতে গিয়ে হাসপাতালকে নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে।
হাসপাতালের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে চসিকের এই উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, আজ একটি ডিপ টিউবওয়েল চালু করা হয়েছে এবং আরও একটির কাজ শুরু হচ্ছে। এর ফলে হাসপাতালে আসা মানুষ নিরাপদ পানির সুবিধা পাবেন। প্রয়োজন হলে চসিক ভবিষ্যতেও হাসপাতালের উন্নয়ন কার্যক্রমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।
হাসপাতালের পরিবেশের ওপর জোর দিয়ে মেয়র আরও বলেন, একটি হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রোগীদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই হাসপাতালের ওয়ার্ড, বাথরুম ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
চমেক হাসপাতালকে ধূমপানমুক্ত রাখতে ইতোমধ্যে ‘নো স্মোকিং জোন’ ঘোষণা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, হাসপাতাল এলাকায় ধূমপান ও সিগারেট বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন আহমেদ, সমাজকর্মী কায়সার আলীসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।