চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবিতে গণবিক্ষোভ

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি অবিলম্বে কার্যকর, শ্রম অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ বন্ধ করাসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের চা শ্রমিকরা। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে উপজেলার মিরতিংগা চা বাগানে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করেন চা শ্রমিকরা। এতে বিভিন্ন চা বাগানের শতাধিক শ্রমিক, ছাত্র-যুবক ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন। মিরতিংগা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মন্টু অলমিকের সভাপতিত্বে এবং ইমরান নাজিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক নেতা জনক লাল দেশোয়ারা (জনি), শমশেরনগর চা বাগানের ছাত্রনেতা গোপাল যাদব, জগদীশ বাউরী, দেওরাছড়া চা বাগানের ছাত্রনেতা অনুরাগ কর্মকার রাজু, গিয়াসনগর চা বাগানের ছাত্রনেতা মুমিন আহমেদ এবং চা-ছাত্র যুব পরিষদ মনু-ধলই ভ্যালীর যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিরতিংগা চা বাগানের শ্রমিক সন্তান মানিক প্রসাদ পাল। বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি শ্রম অধিদপ্তরের অযাচিত ও অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ করে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্

চা শ্রমিকদের ৫০০ টাকা মজুরি কার্যকরের দাবিতে গণবিক্ষোভ

জাতীয় সংসদে উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি অবিলম্বে কার্যকর, শ্রম অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ বন্ধ করাসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের চা শ্রমিকরা।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে উপজেলার মিরতিংগা চা বাগানে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচির আয়োজন করেন চা শ্রমিকরা। এতে বিভিন্ন চা বাগানের শতাধিক শ্রমিক, ছাত্র-যুবক ও স্থানীয় নেতারা অংশ নেন।

মিরতিংগা চা বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি মন্টু অলমিকের সভাপতিত্বে এবং ইমরান নাজিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন চা শ্রমিক নেতা জনক লাল দেশোয়ারা (জনি), শমশেরনগর চা বাগানের ছাত্রনেতা গোপাল যাদব, জগদীশ বাউরী, দেওরাছড়া চা বাগানের ছাত্রনেতা অনুরাগ কর্মকার রাজু, গিয়াসনগর চা বাগানের ছাত্রনেতা মুমিন আহমেদ এবং চা-ছাত্র যুব পরিষদ মনু-ধলই ভ্যালীর যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিরতিংগা চা বাগানের শ্রমিক সন্তান মানিক প্রসাদ পাল।

বক্তারা বলেন, জাতীয় সংসদে উত্থাপিত চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ৫০০ টাকা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি শ্রম অধিদপ্তরের অযাচিত ও অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ করে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হলে তা চা শিল্পের জন্যও ক্ষতিকর হবে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন লাইন চৌকিদার সুজন মাল, মহিলা দফার সর্দারনি নিয়তি গৌর, গীতা পাইনক্কাসহ বিভিন্ন চা বাগানের শ্রমিক প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাদের যৌক্তিক দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মাহিদুল ইসলাম/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow