চাঁদপুরে ইলিশের বাজারে স্বস্তি, কেজিতে কমেছে ৫০০ টাকা

প্রায় এক মাসের ব্যবধানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলিশ মোকাম চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে কমেছে ইলিশের দাম। আকারভেদে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে বিক্রি হচ্ছে রুপালি এ মাছ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কমে যাওয়ায় দাম কমাতে বাধ্য হয়েছেন তারা। যদিও এখনো সরবরাহ আশানুরূপ বাড়েনি। তবে সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সাগরের ইলিশ বাজারে আসতে শুরু করলে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের। চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে স্থানীয় নদীর ইলিশ দিয়েই ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। আড়তগুলোতে বড় আকারের ইলিশের উপস্থিতি থাকলেও পরিমাণে মাছ খুব বেশি নয়। তারপরও কয়েকদিন আগের তুলনায় দাম কিছুটা কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। ইলিশ ব্যবসায়ী নবীর হোসেন ও নাহিদ হোসেন জানান, কয়েক সপ্তাহ আগেও এক কেজি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে একই আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। এছাড়া এক কেজির নিচের ইলিশের দাম এখন ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে। তারা জানান, সরবরাহ খুব বেশি বাড়েনি

চাঁদপুরে ইলিশের বাজারে স্বস্তি, কেজিতে কমেছে ৫০০ টাকা

প্রায় এক মাসের ব্যবধানে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইলিশ মোকাম চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাটে কমেছে ইলিশের দাম। আকারভেদে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কমে বিক্রি হচ্ছে রুপালি এ মাছ।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কমে যাওয়ায় দাম কমাতে বাধ্য হয়েছেন তারা। যদিও এখনো সরবরাহ আশানুরূপ বাড়েনি। তবে সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সাগরের ইলিশ বাজারে আসতে শুরু করলে দাম আরও কমতে পারে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।

চাঁদপুর বড়স্টেশন মাছঘাট ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে স্থানীয় নদীর ইলিশ দিয়েই ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। আড়তগুলোতে বড় আকারের ইলিশের উপস্থিতি থাকলেও পরিমাণে মাছ খুব বেশি নয়। তারপরও কয়েকদিন আগের তুলনায় দাম কিছুটা কমে আসায় ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

ইলিশ ব্যবসায়ী নবীর হোসেন ও নাহিদ হোসেন জানান, কয়েক সপ্তাহ আগেও এক কেজি ওজনের ইলিশ ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে একই আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকার মধ্যে। এছাড়া এক কেজির নিচের ইলিশের দাম এখন ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে রয়েছে।

তারা জানান, সরবরাহ খুব বেশি বাড়েনি, কিন্তু ক্রেতা কমে গেছে। অনেকে উচ্চ দামের কারণে ইলিশ কেনা থেকে বিরত রয়েছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা দাম কিছুটা কমাতে বাধ্য হয়েছেন। আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সাগরের ইলিশ ঘাটে আসতে শুরু করলে দাম আরও ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কমতে পারে।

ইলিশ আড়তদার জিয়া প্রধানীয়া বলেন, সমুদ্রে মাছ ধরা মাত্র শুরু হয়েছে। সেখানকার ইলিশ চাঁদপুরে পৌঁছাতে আরও এক সপ্তাহ সময় লাগবে। এখনো স্থানীয় নদীর ইলিশ পুরোপুরি আসা শুরু হয়নি। তবে জুলাই মাস থেকে পূর্ণাঙ্গ মৌসুম শুরু হবে। তখন সাগর ও নদীর ইলিশ একসঙ্গে বাজারে আসবে। ফলে সরবরাহ দ্বিগুণ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরবরাহ বাড়লে ইলিশের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে।

চাঁদপুরে ইলিশের বাজারে স্বস্তি, কেজিতে কমেছে ৫০০ টাকা

চাঁদপুর মাছঘাটে ঘুরতে আসা রাজশাহীর বাসিন্দা নয়ন বলেন, রাজশাহীতে ইলিশের দাম তুলনামূলক কম পাওয়া যায়। তবে চাঁদপুরের ইলিশ বেশি তাজা এবং আকারে বড়। বিভিন্ন আড়ত ঘুরে দেখছি, দাম সুবিধাজনক হলে কিছু ইলিশ কিনবো।

আরেক ক্রেতা আশিকুর রহমান তুষার বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে বলে মনে হচ্ছে। তবে বাজারে মাছের পরিমাণ খুবই কম। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ক্রেতারা কমে যাওয়ায় দামও কমেছে।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক শবে বরাত সরকার জানান, বর্তমানে ঘাটে ইলিশের সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়েনি। নিষেধাজ্ঞার কারণে দীর্ঘদিন সমুদ্র থেকে কোনো ইলিশ আসেনি। ফলে সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। বর্তমানে স্থানীয় নদীর ইলিশ দিয়েই বাজারে বেচাকেনা চলছে।

তিনি আরও জানান, ঘাটে প্রতিদিন মাত্র ১০ থেকে ১২ মণ ইলিশ সরবরাহ হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় খুবই কম। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমুদ্রের ইলিশ বাজারে আসতে শুরু করলে প্রকৃত চিত্র বোঝা যাবে। সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমবে। তবে সরবরাহ খুব বেশি না বাড়লেও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় ইলিশের দাম কিছুটা নিম্নমুখী থাকতে পারে।

শরীফুল ইসলাম/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow