চাঁদপুরে কিশোরের মরদেহ নিয়ে সড়কে বিক্ষোভ

চাঁদপুর শহরের যমুনা রোড এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাঠির আঘাতে মো. ইয়াছিন (১৪) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসী হত্যার বিচার দাবিতে মরদেহ নিয়ে সড়কে বিক্ষোভ করেছেন। মঙ্গলবার (৩ জুন) বেলা ১১টায় শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে বিচার দাবি করেন তারা। নিহত ইয়াছিন ওই এলাকার মো. ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, সোমবার (২ জুন) সকালে এলাকার একটি জামগাছ থেকে জাম পাড়াকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তের সঙ্গে শাহজাহান মালের ছেলে মো. মেহেদী হাসানের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সে মেহেদীকে মারধর শুরু করে। এ সময় ইয়াছিন এগিয়ে এসে মারধরের কারণ জানতে চাইলে সে লাঠি দিয়ে ইয়াছিনের মাথায় আঘাত করে। পরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে তার মৃত্যু হয়। চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, মূলত কিশোর হত্যার বিচার দাবিতে সড়কে বিক্ষোভ করেছে কিছু মানুষ। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে থানায় মামলা করতে বলেছি। শরীফুল ইসলাম/এফএ/এমএস

চাঁদপুরে কিশোরের মরদেহ নিয়ে সড়কে বিক্ষোভ

চাঁদপুর শহরের যমুনা রোড এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে লাঠির আঘাতে মো. ইয়াছিন (১৪) নামে এক কিশোর নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় স্বজন ও এলাকাবাসী হত্যার বিচার দাবিতে মরদেহ নিয়ে সড়কে বিক্ষোভ করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ জুন) বেলা ১১টায় শহরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করে বিচার দাবি করেন তারা।

নিহত ইয়াছিন ওই এলাকার মো. ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে। অভিযুক্ত কিশোর ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে।

চাঁদপুরে কিশোরের মরদেহ নিয়ে সড়কে বিক্ষোভ

স্বজনদের অভিযোগ, সোমবার (২ জুন) সকালে এলাকার একটি জামগাছ থেকে জাম পাড়াকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তের সঙ্গে শাহজাহান মালের ছেলে মো. মেহেদী হাসানের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে সে মেহেদীকে মারধর শুরু করে। এ সময় ইয়াছিন এগিয়ে এসে মারধরের কারণ জানতে চাইলে সে লাঠি দিয়ে ইয়াছিনের মাথায় আঘাত করে। পরে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ জানান, মূলত কিশোর হত্যার বিচার দাবিতে সড়কে বিক্ষোভ করেছে কিছু মানুষ। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে থানায় মামলা করতে বলেছি।

শরীফুল ইসলাম/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow