চাঁপাইনবাবগঞ্জে শীতার্তদের পাশে দাঁড়ালো বিজিবি
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে টানা ১০ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। শীতার্ত এসব মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বিজিবি। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ৫৩ বিজিবির উদ্যোগে শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের ফতেপুর কুকড়িপাড়া এলাকায় ৩০০ শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুর রহমান বলেন, চরাঞ্চলে বাতাসের তীব্রতা অনেক বেশি। আর চারদিকে নদী। শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। সব মিলিয়ে আমরা খুব বিপদের মধ্যে আছি। গত ১০ দিন ধরে সূর্যের দেখা পায়নি। এতে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কম্বল কেনার টাকা জুটাতে পারছি না। আজকে বিজিবির দেওয়া কম্বল বাসায় নিয়ে গেলাম। রাজিয়া বেগম নামের আরও এক নারী বলেন, গত ১০ দিন ধরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। ছেলে সন্তান নিয়ে কোনোভাবে টিনের ঘরে দিন পার করছি। পদ্মা নদী পার হয়ে আসতে হয় বলে আমাদের খোঁজ রাখে না কেউ। তাই বিজিবির কম বলবে আমি খুশি। বিজিবি জানায়, গত ১৫ দিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এ কারণে এলাকার অসহায় ও দুস্থ ম
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে টানা ১০ দিন ধরে সূর্যের দেখা মিলছে না। তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। শীতার্ত এসব মানুষের কথা বিবেচনায় নিয়ে শীতবস্ত্র বিতরণ করেছে বিজিবি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে ৫৩ বিজিবির উদ্যোগে শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের ফতেপুর কুকড়িপাড়া এলাকায় ৩০০ শীতার্ত মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আতিকুর রহমান বলেন, চরাঞ্চলে বাতাসের তীব্রতা অনেক বেশি। আর চারদিকে নদী। শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। সব মিলিয়ে আমরা খুব বিপদের মধ্যে আছি। গত ১০ দিন ধরে সূর্যের দেখা পায়নি। এতে তীব্র শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। কম্বল কেনার টাকা জুটাতে পারছি না। আজকে বিজিবির দেওয়া কম্বল বাসায় নিয়ে গেলাম।
রাজিয়া বেগম নামের আরও এক নারী বলেন, গত ১০ দিন ধরে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। ছেলে সন্তান নিয়ে কোনোভাবে টিনের ঘরে দিন পার করছি। পদ্মা নদী পার হয়ে আসতে হয় বলে আমাদের খোঁজ রাখে না কেউ। তাই বিজিবির কম বলবে আমি খুশি।
বিজিবি জানায়, গত ১৫ দিন ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। এ কারণে এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের কথা বিবেচনা করে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিজিবির রাজশাহী সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল সৈয়দ কামাল হোসেন, ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক কাজী মুস্তাফিজুর রহমানসহ বিজিবির বিওপি পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
সোহান মাহমুদ/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?