চাচা শ্বশুরের বিরুদ্ধে জামাইয়ের গরু লুটের চেষ্টার অভিযোগ
বগুড়ার ধুনটে দোকানের বাকি টাকা চাওয়ায় জামাইয়ের গোয়ালঘর থেকে গরু লুটের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চাচা শ্বশুরের বিরুদ্ধে। শনিবার (০৯ মে) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আল-মামুন। অভিযোগ উঠা ব্যক্তি হলেন- আব্দুল লতিফ। তিনি উপজেলার পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী আল মামুন একই বাসিন্দা। তারা দুজনের সম্পর্কে জামাই-শ্বশুর। অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের আনুন সরকারের ছেলে আল মামুনের গোসাইবাড়ি সাতমাথা এলাকায় ওষুধের দোকান রয়েছে। দোকান থেকে তার চাচা শ্বশুর আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন ধরে বাকিতে ওষুধ কেনেন। সেই বাকি টাকা চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হন তিনি। শুক্রবার বিকেলে আল মামুনকে মারধর করে এবং গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আব্দুল লতিফ ও তার লোকজন। এছাড়া তারা আল মামুনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় আল মামুন তার চাচা শ্বশুর আব্দুল লতিফসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল লতিফ বলেন, জামাইয়ের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধে রয়েছে। তবে থানায় যে অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়। ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসল
বগুড়ার ধুনটে দোকানের বাকি টাকা চাওয়ায় জামাইয়ের গোয়ালঘর থেকে গরু লুটের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চাচা শ্বশুরের বিরুদ্ধে। শনিবার (০৯ মে) দুপুরে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী আল-মামুন।
অভিযোগ উঠা ব্যক্তি হলেন- আব্দুল লতিফ। তিনি উপজেলার পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের বাসিন্দা। ভুক্তভোগী আল মামুন একই বাসিন্দা। তারা দুজনের সম্পর্কে জামাই-শ্বশুর।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পূর্ব গুয়াডহরী গ্রামের আনুন সরকারের ছেলে আল মামুনের গোসাইবাড়ি সাতমাথা এলাকায় ওষুধের দোকান রয়েছে। দোকান থেকে তার চাচা শ্বশুর আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন ধরে বাকিতে ওষুধ কেনেন। সেই বাকি টাকা চাওয়ায় ক্ষুব্ধ হন তিনি।
শুক্রবার বিকেলে আল মামুনকে মারধর করে এবং গোয়ালঘর থেকে দুটি গরু নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আব্দুল লতিফ ও তার লোকজন। এছাড়া তারা আল মামুনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দিয়েছে। এ ঘটনায় আল মামুন তার চাচা শ্বশুর আব্দুল লতিফসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল লতিফ বলেন, জামাইয়ের সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধে রয়েছে। তবে থানায় যে অভিযোগ করেছেন তা সঠিক নয়।
ধুনট থানার ওসি আতিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?