চামড়ার দাম আগের মতোই, টার্গেট পূরণ না হওয়ার শঙ্কা পোস্তার আড়তদারদের
রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার বেচাকেনা। তবে, এবার সরকার দাম বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করলেও গতবছরের দামেই বিক্রি হচ্ছে চামড়া। এবার চামড়ার সরবরাহও কম। সবমিলিয়ে চামড়া কেনার টার্গেট পূরণ না হওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, ঢাকা শহরে কোরবানি শেষ হওয়ার পরপরই অনেক চামড়া এখন সাভারের হেমায়েতপুরের দিকে চলে যায়। ফলে পোস্তায় চামড়ার সরবরাহ আগের তুলনায় কমেছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় সরেজমিনে দেখা যায়, ফড়িয়া, মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পোস্তায় চামড়া নিয়ে আসছেন। ভ্যান ও পিকআপ ভ্যানে এসব চামড়া নিয়ে আসছেন তারা। আড়তদারদের হাঁকডাকে সরব হয়ে উঠেছে লালবাগের শায়েস্তা খান, রাজ নারায়ণ ধর রোডসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া সংগ্রহ করছেন। আরও পড়ুনহাট থেকে গরু চুরি, আর কোনো দিন ঢাকায় আসবেন না ব্যাপারি সেলিম কোরবানির চামড়া সংগ্রহ চলছে, দামে খুশি নন ফড়িয়ারা দুপুরের পর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে পোস্তায় আসা শুরু করে কোরবানির পশুর চামড়া। এরপর দরদামে মিললে সেগ
রাজধানীর লালবাগের পোস্তায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার বেচাকেনা। তবে, এবার সরকার দাম বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করলেও গতবছরের দামেই বিক্রি হচ্ছে চামড়া। এবার চামড়ার সরবরাহও কম। সবমিলিয়ে চামড়া কেনার টার্গেট পূরণ না হওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তারা জানান, ঢাকা শহরে কোরবানি শেষ হওয়ার পরপরই অনেক চামড়া এখন সাভারের হেমায়েতপুরের দিকে চলে যায়। ফলে পোস্তায় চামড়ার সরবরাহ আগের তুলনায় কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় সরেজমিনে দেখা যায়, ফড়িয়া, মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পোস্তায় চামড়া নিয়ে আসছেন। ভ্যান ও পিকআপ ভ্যানে এসব চামড়া নিয়ে আসছেন তারা।
আড়তদারদের হাঁকডাকে সরব হয়ে উঠেছে লালবাগের শায়েস্তা খান, রাজ নারায়ণ ধর রোডসহ আশপাশের বিভিন্ন সড়ক। পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন এলাকার মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চামড়া সংগ্রহ করছেন।
আরও পড়ুন
হাট থেকে গরু চুরি, আর কোনো দিন ঢাকায় আসবেন না ব্যাপারি সেলিম
কোরবানির চামড়া সংগ্রহ চলছে, দামে খুশি নন ফড়িয়ারা
দুপুরের পর থেকেই ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে পোস্তায় আসা শুরু করে কোরবানির পশুর চামড়া। এরপর দরদামে মিললে সেগুলো গোডাউনে ওঠানো হচ্ছে।
তবে, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম না পাওয়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্টরা। তাদের অভিযোগ, লবণ ও সংরক্ষণ ব্যয় বেড়ে গেলেও চামড়ার দাম গত বছরের মতোই রয়েছে।
পোস্তার চামড়ার আড়ত কামাল অ্যান্ড সন্সের মালিক আনোয়ার হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, গত বছর চামড়ার আমদানি বেশি ছিল। কারণ, কোরবানি বেশি হয়েছিল। এবার কোরবানি কম হয়েছে, চামড়ার আমদানিও কম হচ্ছে। আজ ঈদের দিন এক হাজার ৫০০ পিস চামড়া কেনার টার্গেট থাকলেও এখন পর্যন্ত ৭৫০ পিস চামড়া কিনতে পেরেছি। এবার টার্গেট পূরণ না হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরে কোরবানি শেষ হওয়ার পরপরই এখন চামড়া হেমায়েতপুরের দিকে চলে যায়। এটাও একটা বিষয়।
আড়তদাররা মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দুপুরের পর থেকেই চামড়া কেনা শুরু করেছেন। বড় আকারের প্রতিটি চামড়া ৭৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের চামড়া বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকায়। এছাড়া ছোট চামড়া ১৫০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মূলত ঈদের দিন বিকেল ৫টার পর থেকেই চামড়া কেনাবেচা জমে ওঠে। রাত ১০টা পর্যন্ত চামড়া সংগ্রহ করা হবে। এখানে চামড়া সংগ্রহের পর প্রথমে লবণজাত করা হবে। পরে তারা সাভারের ট্যানারিগুলোতে পাঠিয়ে দেন এসব চামড়া।
এফএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?