চারটি বিয়ে করার পরও পরনারীর ঘরে আটক ‘জামায়াত সমর্থক’

একে একে বিয়ে করেছেন চারটি। এরপরও রয়েছে পরকীয়ার অভিযোগ। এবার এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে পঞ্চগড় সদরের হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়ায় এক নারীর ঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ওই নারীসহ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, জহিরুল ইসলাম জামায়াতের সমর্থক। তার স্বজনরা দাবি করেছেন, তিনি হাড়িভাসা ইউনিয়নে যুব জাগপার নেতৃত্বে ছিলেন। সম্প্রতি জামায়াতে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাকে দেখা গেছে। তিন স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর চার নম্বর স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমানে সংসার করছেন জহিরুল। আরও পড়ুন দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পরকীয়া প্রেমিকাসহ জামায়াত কর্মীকে ধরলেন গ্রামবাসী পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই নারীর স্বামী ঢাকায় থাকেন। এই ফাঁকে তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান জহিরুল। সোমবার রাতে হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইছপাড়া এলাকায় ওই নারীর ঘরে জহিরুল ইসলামকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন। আটকের পর তাকে ওই নারীর সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও উত্তেজিত জনতার কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হয় পুলিশ। মঙ্গলবার

চারটি বিয়ে করার পরও পরনারীর ঘরে আটক ‘জামায়াত সমর্থক’

একে একে বিয়ে করেছেন চারটি। এরপরও রয়েছে পরকীয়ার অভিযোগ। এবার এক নারীর ঘর থেকে জহিরুল ইসলাম (৪২) নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করেছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাতে পঞ্চগড় সদরের হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইজপাড়ায় এক নারীর ঘর থেকে তাকে আটক করা হয়। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে ওই নারীসহ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

স্থানীয়দের দাবি, জহিরুল ইসলাম জামায়াতের সমর্থক। তার স্বজনরা দাবি করেছেন, তিনি হাড়িভাসা ইউনিয়নে যুব জাগপার নেতৃত্বে ছিলেন। সম্প্রতি জামায়াতে বিভিন্ন প্রোগ্রামে তাকে দেখা গেছে। তিন স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর চার নম্বর স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমানে সংসার করছেন জহিরুল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই নারীর স্বামী ঢাকায় থাকেন। এই ফাঁকে তার সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান জহিরুল। সোমবার রাতে হাড়িভাসা ইউনিয়নের গইছপাড়া এলাকায় ওই নারীর ঘরে জহিরুল ইসলামকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা তাকে আটক করেন।

আটকের পর তাকে ওই নারীর সঙ্গে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও উত্তেজিত জনতার কারণে ফিরে যেতে বাধ্য হয় পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে ওই নারীসহ জহিরুলকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।

এর আগে রাতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‌‘নারীসহ জামায়াতের লোক আটক’ এমন শিরোনামে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি।

জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের সমর্থক যে কেউ হতে পারেন। তবে ওই ব্যক্তি জামায়াতের সদস্য নয়। তাই তাকে নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, নারীসহ এক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সফিকুল আলম/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow