চার্চের বাইরে হাজার হাজার ভক্ত, রোনালদো-জর্জিনা কি বিয়ে করেছেন?

মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জের রাজধানীতে মানুষের ঢল নেমেছিল। পর্তুগালের ফুনচালে গতকাল হাজার হাজার মানুষ জড়ো হলেন। তাদের বিশ্বাস, তারা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও তার বাগদত্তা জর্জিনা রদ্রিগেজের বিয়ের প্রত্যক্ষদর্শী হতে চলেছেন তারা। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা বুঝতে পারেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাদের বিয়ের দিনতারিখ সঠিক নয়। ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য সান এই সপ্তাহের শুরুতে এক প্রতিবেদনে জানায়, ৮ আগস্ট ফুনচাল ক্যাথেড্রালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন রোনালদো ও জর্জিনা। তারপর জমকালো অনুষ্ঠান হবে পাঁচতারকা হোটেল ‘স্যাভয় প্যালেসে’। বলা হয়েছিল, এই বিয়ে উপলক্ষে হোটেলের দুটি তলা রিজার্ভ করা হয়েছিল। ভক্তরা প্রতিবেদনটি বিশ্বাস করেই ক্যাথেড্রাল ও হোটেলের সামনে কয়েক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে থাকেন। পর্তুগিজ লিজেন্ড ও তার নতুন বউকে একনজর দেখার আশায় ছিলেন তারা। বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে সেখানে, এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি নিয়ে একটি বিলাসবহুল গাড়িও বের হয়েছে। তা দেখে কেউ কেউ চিৎকার করে উঠলেন, ‘ওই যে সে! ওই যে সে!’ হোটেলে একসঙ্গে বেশ কয়েকজনকে ঢুকতে দেখে কারো ধারণা হয়েছিল, তারা হয়তো রোনালদোর বন্ধু! ফরাসি নেটওয়ার্ক আরএমসি এমন তথ্য দিয়েছে তাদে

চার্চের বাইরে হাজার হাজার ভক্ত, রোনালদো-জর্জিনা কি বিয়ে করেছেন?

মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জের রাজধানীতে মানুষের ঢল নেমেছিল। পর্তুগালের ফুনচালে গতকাল হাজার হাজার মানুষ জড়ো হলেন। তাদের বিশ্বাস, তারা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও তার বাগদত্তা জর্জিনা রদ্রিগেজের বিয়ের প্রত্যক্ষদর্শী হতে চলেছেন তারা। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই তারা বুঝতে পারেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাদের বিয়ের দিনতারিখ সঠিক নয়।

ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য সান এই সপ্তাহের শুরুতে এক প্রতিবেদনে জানায়, ৮ আগস্ট ফুনচাল ক্যাথেড্রালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন রোনালদো ও জর্জিনা। তারপর জমকালো অনুষ্ঠান হবে পাঁচতারকা হোটেল ‘স্যাভয় প্যালেসে’। বলা হয়েছিল, এই বিয়ে উপলক্ষে হোটেলের দুটি তলা রিজার্ভ করা হয়েছিল।

ভক্তরা প্রতিবেদনটি বিশ্বাস করেই ক্যাথেড্রাল ও হোটেলের সামনে কয়েক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে থাকেন। পর্তুগিজ লিজেন্ড ও তার নতুন বউকে একনজর দেখার আশায় ছিলেন তারা। বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে সেখানে, এক সদ্য বিবাহিত দম্পতি নিয়ে একটি বিলাসবহুল গাড়িও বের হয়েছে। তা দেখে কেউ কেউ চিৎকার করে উঠলেন, ‘ওই যে সে! ওই যে সে!’ হোটেলে একসঙ্গে বেশ কয়েকজনকে ঢুকতে দেখে কারো ধারণা হয়েছিল, তারা হয়তো রোনালদোর বন্ধু! ফরাসি নেটওয়ার্ক আরএমসি এমন তথ্য দিয়েছে তাদের প্রতিবেদনে।

আসল ঘটনা কী? যে দম্পতি গাড়িতে করে ক্যাথেড্রাল থেকে বের হয়েছিলেন, তারা রোনালদো ও জর্জিনা ছিলেন না। তারা ছিলেন ফাবিও সান্তোস রামোস ও ফাতিমা নিকোল কুনহা টেইক্সেইরা, এই অঞ্চলের বাসিন্দা তারা, বর্তমানে থাকছেন ফ্রান্সে।

ওই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর ক্যাথেড্রালের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট একটি পোস্ট দেয়, ‘রাস্তায় অগণিত সাংবাদিক ও পর্যটকদের নিয়ে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বের পর, আমরা অবশেষে চার্চ ও অনুষ্ঠান বন্ধ করতে পারলাম।’

সদ্য বিবাহিত বর-কনে সম্ভবত এই বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি উপভোগ করেছেন। অতিথিদের একজন ‘দিয়ারিও দে নোতিসিয়াস দা মাদেইরা’ সংবাদপত্রকে বলেছেন, ‘মনে হচ্ছিল আমরা বিখ্যাত কেউ।’ তারপর যোগ করেন, ‘আমার খুব আশ্চর্য লেগেছে যে এই লোকেরা বিশ্বাস করেছিল যে রোনালদো কোনো নিরাপত্তা ছাড়াই বিয়ে করতে পারে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow