চ্যাম্পিয়নস লিগেই ঘা শুকলো রিয়ালের

লিগে ধাক্কা, গ্যালারিতে দুয়ো আর অস্থিরতার পর রিয়াল মাদ্রিদ আবার দাঁড়াল চেনা জায়গা ‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগে’। যে মঞ্চে মাদ্রিদের সাদা দলের সংকট টেকে না, সেখানেই ক্ষত সারাল ‘ভিনি-এমবাপ্পেরা’। তুলনামূলক দুর্বল মোনাকোর বিপক্ষে ঝলমলে জয়ে সরাসরি রাউন্ড অব সিক্সটিনের পথে বড় ধাপ এগোল তারা। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স আর জুড বেলিংহামের গোল-উদযাপনের রসিকতায় বার্নাব্যু আবার হাসল। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আলভারো আরবেলোয়া তার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিষেকে মেধাভিত্তিক একাদশেই আস্থা রাখেন। লেভান্তের বিপক্ষে বদল আনা আর্দা গুলার ও মাস্তান্তুয়োনো ফের শুরুর দলে। বড় চমক হিসেবে লেফটব্যাকে দেখা যায় মিডফিল্ডার কামাভিঙ্গাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সিদ্ধান্ত কাজে দেয়। পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। ডানপ্রান্তে ভ্যালভার্দে-মাস্তান্তুয়োনোর সমন্বয়, এমবাপ্পের দৌড়—সব মিলিয়ে সাজানো আক্রমণ থেকে ফরাসি স্ট্রাইকারের নিখুঁত ফিনিশ। শুরুর ধাক্কাতেই ম্যাচের সুর বদলে যায়। তবু রক্ষণে ফাঁক ছিল। লম্বা বল ধরে বালোগুন প্রায় শাস্তি দিতে পারতেন, আর আনসু ফাতির ফাঁকায় নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। রিয়াল আগ্রাসী প্র

চ্যাম্পিয়নস লিগেই ঘা শুকলো রিয়ালের

লিগে ধাক্কা, গ্যালারিতে দুয়ো আর অস্থিরতার পর রিয়াল মাদ্রিদ আবার দাঁড়াল চেনা জায়গা ‘চ্যাম্পিয়ন্স লিগে’। যে মঞ্চে মাদ্রিদের সাদা দলের সংকট টেকে না, সেখানেই ক্ষত সারাল ‘ভিনি-এমবাপ্পেরা’। তুলনামূলক দুর্বল মোনাকোর বিপক্ষে ঝলমলে জয়ে সরাসরি রাউন্ড অব সিক্সটিনের পথে বড় ধাপ এগোল তারা। কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোল, ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের চোখধাঁধানো পারফরম্যান্স আর জুড বেলিংহামের গোল-উদযাপনের রসিকতায় বার্নাব্যু আবার হাসল।

অন্তর্বর্তীকালীন কোচ আলভারো আরবেলোয়া তার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ অভিষেকে মেধাভিত্তিক একাদশেই আস্থা রাখেন। লেভান্তের বিপক্ষে বদল আনা আর্দা গুলার ও মাস্তান্তুয়োনো ফের শুরুর দলে। বড় চমক হিসেবে লেফটব্যাকে দেখা যায় মিডফিল্ডার কামাভিঙ্গাকে। ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সিদ্ধান্ত কাজে দেয়।

পাঁচ মিনিটেই এগিয়ে যায় রিয়াল। ডানপ্রান্তে ভ্যালভার্দে-মাস্তান্তুয়োনোর সমন্বয়, এমবাপ্পের দৌড়—সব মিলিয়ে সাজানো আক্রমণ থেকে ফরাসি স্ট্রাইকারের নিখুঁত ফিনিশ। শুরুর ধাক্কাতেই ম্যাচের সুর বদলে যায়।

তবু রক্ষণে ফাঁক ছিল। লম্বা বল ধরে বালোগুন প্রায় শাস্তি দিতে পারতেন, আর আনসু ফাতির ফাঁকায় নেওয়া শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। রিয়াল আগ্রাসী প্রেস করলেও মাঝমাঠে জায়গা ছেড়ে দিচ্ছিল—যার সুযোগে তেজের দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লাগে।

দ্বিতীয় গোল আসে কামাভিঙ্গার দারুণ রিকভারি থেকে। গুলারের প্রথম স্পর্শের পাস, ভিনিসিয়ুসের হালকা বল আর এমবাপ্পের ফিনিশ। দুই শট, দুই গোল; আক্রমণে ক্লিনিক্যাল, রক্ষণে এখনো ভঙ্গুর।

বিরতির পর রিয়াল আরও তীক্ষ্ণ। ভিনিসিয়ুস আক্রমণের প্রাণ হয়ে ওঠেন; মাস্তান্তুয়োনোর গোল বানিয়ে দেন, এরপর প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলের কারণও তিনিই। এরপর নিজেই বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে টপ-কর্নার খুঁজে নেন। উদযাপনে তিনি গ্যালারির দিকে ছুটলেন না; বরং সতীর্থদের কাছে গিয়ে সমর্থন নিলেন এবং বার্নাব্যুতে তার নামে গর্জে উঠল।

জয় নিশ্চিত দেখে রিয়াল ঢিলে দেয়। সুযোগ পেয়ে তেজে গোল করেন, আকলিউশে দুটি সুযোগ মিস করেন। তবে শেষ হাসি রিয়ালের—এমবাপ্পের ফ্রি-কিক থেকে ভালভার্দের কাটব্যাক, বেলিংহামের মার্জিত ফিনিশ। রিয়াল ৬-মোনাকো ১

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow