ছাত্র হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে

ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফেনীর মহিপালে শহীদ ওয়াকিল আহমদ শিহাব হত্যা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা ও দায়রা জজ মোহা. সিরাজুদ্দৌলাহ কুতুবীর আদেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেন ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।  আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনী শহরের মহিপালে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গণহত্যা চালায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। ওই সহিংসতায় শহীদ ওয়াকিল আহমদ শিহাবসহ ৮ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। একই বছরের ২০ আগস্ট শহীদ শিহাবের মা মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় ১৫০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোতাহের হোসেন গত ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর তিনটি পৃথক ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে মোট ২২০ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ছাত্র হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা কারাগারে
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ফেনীর মহিপালে শহীদ ওয়াকিল আহমদ শিহাব হত্যা মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা ও দায়রা জজ মোহা. সিরাজুদ্দৌলাহ কুতুবীর আদেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেন ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক।  আদালত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনী শহরের মহিপালে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে গণহত্যা চালায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। ওই সহিংসতায় শহীদ ওয়াকিল আহমদ শিহাবসহ ৮ জন নিহত এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। একই বছরের ২০ আগস্ট শহীদ শিহাবের মা মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় ১৫০ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা ও ফেনী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোতাহের হোসেন গত ২০২৫ সালের ৮ ডিসেম্বর তিনটি পৃথক ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে মোট ২২০ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে অ্যাডভোকেট সৈয়দ আবুল হোসেনও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। সূত্র আরও জানায়, মামলার পর গত এক মাস ধরে অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে উচ্চ আদালতসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জামিনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন আবুল হোসেন। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক শুনানি শেষে তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow