ছিয়াত্তরে আলমগীর, আসছেন বিশেষ অনুষ্ঠানে
ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা আলমগীর তার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে একটি টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন। মাছরাঙা টেলিভিশনের \'স্টার নাইট\' অনুষ্ঠানে দেখা যাবে অভিনেতাকে। বিজ্ঞপ্তিতে স্টেশনটি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টায় প্রচার হবে অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে আলমগীর শোনাবেন তার বর্ণাঢ্য জীবন ও ক্যারিয়ারের অনেক বিষয়, জানাবেন অজানা অনেক তথ্যও। আর অভিনেতাকে নিয়ে ভিডিও বার্তায় কথা বলবেন তার সহকর্মী, কাছের বন্ধু, এবং পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে তার প্রিয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ভিডিও দেখানো হবে। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন আলমগীর। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘আমার জন্মভূমি’ ও ‘দস্যুরানী’ এই দুটি সিনেমা একসঙ্গে মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৩ সালের ২৪ অক্টোবর, ঈদের দিন। আর সেই দুই সিনেমায় মাত্র ২২ বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন আলমগীর। সেই থেকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গেই আছেন তিনি। অভিনয় করেছেন আড়াইশর বেশি সিনেমায়। বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে নয় বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ আজীবন সম্মাননা পদক পাওয়ার রেকর্ড নায়ক আলমগীরেরই রয়েছে। ১৯৮৫ সালে প্রথম ‘মা ও ছেলে’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্
ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা আলমগীর তার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে একটি টেলিভিশনে বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন।
মাছরাঙা টেলিভিশনের 'স্টার নাইট' অনুষ্ঠানে দেখা যাবে অভিনেতাকে। বিজ্ঞপ্তিতে স্টেশনটি জানিয়েছে, শুক্রবার রাত ৯টায় প্রচার হবে অনুষ্ঠানটি।
অনুষ্ঠানে আলমগীর শোনাবেন তার বর্ণাঢ্য জীবন ও ক্যারিয়ারের অনেক বিষয়, জানাবেন অজানা অনেক তথ্যও। আর অভিনেতাকে নিয়ে ভিডিও বার্তায় কথা বলবেন তার সহকর্মী, কাছের বন্ধু, এবং পরিবারের সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে তার প্রিয় চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ভিডিও দেখানো হবে।
১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন আলমগীর। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘আমার জন্মভূমি’ ও ‘দস্যুরানী’ এই দুটি সিনেমা একসঙ্গে মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৩ সালের ২৪ অক্টোবর, ঈদের দিন।
আর সেই দুই সিনেমায় মাত্র ২২ বছর বয়সে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলেন আলমগীর।
সেই থেকে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে চলচ্চিত্রের সঙ্গেই আছেন তিনি। অভিনয় করেছেন আড়াইশর বেশি সিনেমায়।
বাংলাদেশের অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে নয় বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ আজীবন সম্মাননা পদক পাওয়ার রেকর্ড নায়ক আলমগীরেরই রয়েছে।
১৯৮৫ সালে প্রথম ‘মা ও ছেলে’ চলচ্চিত্রের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ টানা চার বছর শ্রেষ্ঠ অভিনেতার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়ে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।
রুম্মান রশীদ খানের গ্রন্থনা ও মৌসুমী মৌয়ের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন অজয় পোদ্দার।
এমআই/জেআইএম
What's Your Reaction?