ছেলের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুরের নেছারাবাদে আট বছর আগে মিলন বাহাদুর নামে এক মোটরসাইকেল চালককে হত্যার পর তার মরদেহ গুম মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন ও আরেকজনের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সম্পর্কে তারা মা-ছেলে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান ছেলে মো. তাজিম (২৮) এবং তার স্ত্রী রেহানা বেগম (৫০)। মোটরসাইকেল চালককে হত্যার দায়ে তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মরদেহ গুমের দায়ে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় রেহানা বেগম উপস্থিত থাকলেও তার ছেলে পলাতক। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলনসহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেন তাজিম ও আরেক যুবক। এরপর রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইলফোনটিও বন্ধ থাকে। এ ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি

ছেলের যাবজ্জীবন, মায়ের ৭ বছরের কারাদণ্ড

পিরোজপুরের নেছারাবাদে আট বছর আগে মিলন বাহাদুর নামে এক মোটরসাইকেল চালককে হত্যার পর তার মরদেহ গুম মামলায় এক আসামির যাবজ্জীবন ও আরেকজনের সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সম্পর্কে তারা মা-ছেলে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে পিরোজপুর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্তরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান ছেলে মো. তাজিম (২৮) এবং তার স্ত্রী রেহানা বেগম (৫০)।

মোটরসাইকেল চালককে হত্যার দায়ে তাজিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মরদেহ গুমের দায়ে তাজিমের মা রেহানা বেগমকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় রেহানা বেগম উপস্থিত থাকলেও তার ছেলে পলাতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি উপজেলার বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে মিলনসহ তার মোটরসাইকেল ভাড়া নেন তাজিম ও আরেক যুবক। এরপর রাতেও বাড়ি না ফেরায় মিলকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে তার পরিবার। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইলফোনটিও বন্ধ থাকে।

এ ঘটনায় ১২ ফেব্রুয়ারি নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন নিহত মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি তাজিমের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে মিলনের উদ্ধার করা হয়। মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহযোগিতায় মরদেহ গুম করেন।

এ ঘটনার পর পাঁচজনকে আসামি করে নিহত মিলনের বাবা শাহাদাত বাহাদুর ওইদিন নেছারাবাদ থানায় একটি মামলা করে। তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল কালাম আকন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মো. তরিকুল ইসলাম/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow