জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে নিহত

বরগুনার পাথরঘাটায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে নিহত হয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা ফোরকান মিয়ার বাবা আলম ফিটার (৫২)। সোমবার (১১ মে) সকাল ৬টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত আলম ফিটার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড হরিণঘাটা বাজার এলাকার মৃত ধলু মাঝির ছেলে ও সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান মিয়ার বাবা৷  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা ও একটি নারিকেল গাছ নিয়ে প্রতিবেশী আল আমিন, ইলিয়াসদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে রোববার (১০ মে) দুপুর দেড়টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। এ সময় প্রতিবেশী ইলিয়াসের লাঠির আঘাতে আহত হন আলম ফিটার। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আলম ফিটারের ছেলে তাওহীদ, পুত্রবধূ আদুরি এবং স্ত্রী ফরিদা বেগম। তারা বর্তমানে চিক

জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে নিহত

বরগুনার পাথরঘাটায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে নিহত হয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা ফোরকান মিয়ার বাবা আলম ফিটার (৫২)।

সোমবার (১১ মে) সকাল ৬টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আলম ফিটার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড হরিণঘাটা বাজার এলাকার মৃত ধলু মাঝির ছেলে ও সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফোরকান মিয়ার বাবা৷ 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা ও একটি নারিকেল গাছ নিয়ে প্রতিবেশী আল আমিন, ইলিয়াসদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে রোববার (১০ মে) দুপুর দেড়টার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। এ সময় প্রতিবেশী ইলিয়াসের লাঠির আঘাতে আহত হন আলম ফিটার।

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আলম ফিটারের ছেলে তাওহীদ, পুত্রবধূ আদুরি এবং স্ত্রী ফরিদা বেগম। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রায় এক মাস আগে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হলেও প্রতিপক্ষ তা মেনে নেয়নি। রোববার নারিকেল গাছকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে আলম ফিটারের ওপর হামলা চালানো হয়।

পরিবারের দাবি, তাদের উপর হামলায় প্রতিবেশী আল-আমিন, ইলিয়াস, নিজাম, ইব্রাহিম, সাইফুল, ইউনুস বয়াতি, আবু সালেহ ও কহিনুরসহ কয়েকজন অংশ নেন।

এদিকে আলম ফিটারের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের দাবি, তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় গত ৫ আগস্টের পর থেকে বিভিন্নভাবে চাপ ও হুমকির মধ্যে ছিলেন। পূর্ব বিরোধের জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক বলেন, ঘটনার বিষয়টি আমাদের জানা রয়েছে। এই ঘটনায় থানা পুলিশ তদন্ত করছে। দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow