জমি নিয়ে বিরোধ, ভাইয়ের হাতে ভাই খুন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে ইসমাইল মিয়া নামের বড় ভাই খুন হয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সাতঘরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাতঘরহাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার চার ছেলে। তার দুই ছেলে আলকাছ ও ইসমাইল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। আর অপর দুই ছেলে প্রবাসে থাকেন। নিহতের মেয়ে তাসলিমা বলেন, ‘আমার আব্বা কাজ করতে ছিলেন। এমন সময় আমার চাচা আমার আব্বুকে পিছন থেকে রড দিয়ে আঘাত করে। আমি বাড়ির বাহিরে ছিলাম। বাড়িতে এসে দেখি আবুর অবস্থা খুব খারাপ। পরে মাথায় পানি দেই। আব্বুকে চাচা মেরে ফেলেছে।’ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বড় ভাই ইসমাইল মিয়া স্থানীয় একটি মসজিদের দেয়াল রং করছিলেন। এ সময় পূর্ব বিরোধের জেরে ছোট ভাই আলকাছ পেছন দিক থেকে রড দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ইসমাইল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে এলাকাবাসী তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে নবীনগর থানার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতে ইসমাইল মিয়া নামের বড় ভাই খুন হয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার সাতঘরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সাতঘরহাটি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার চার ছেলে। তার দুই ছেলে আলকাছ ও ইসমাইল মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। আর অপর দুই ছেলে প্রবাসে থাকেন।
নিহতের মেয়ে তাসলিমা বলেন, ‘আমার আব্বা কাজ করতে ছিলেন। এমন সময় আমার চাচা আমার আব্বুকে পিছন থেকে রড দিয়ে আঘাত করে। আমি বাড়ির বাহিরে ছিলাম। বাড়িতে এসে দেখি আবুর অবস্থা খুব খারাপ। পরে মাথায় পানি দেই। আব্বুকে চাচা মেরে ফেলেছে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার দুপুরে বড় ভাই ইসমাইল মিয়া স্থানীয় একটি মসজিদের দেয়াল রং করছিলেন। এ সময় পূর্ব বিরোধের জেরে ছোট ভাই আলকাছ পেছন দিক থেকে রড দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় ইসমাইল মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে এলাকাবাসী তাকে দ্রুত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি কালবেলাকে বলেন, লাশ দাফনের পর বাদীরা থানায় আসলে মামলা নেওয়া হবে, প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
What's Your Reaction?