জমির বিরোধে শ্বশুরবাড়িতে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তাজুল ইসলাম (৬০) উপজেলার ১০ নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের সাজিবাড়ির মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রি ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা বেগম তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৭ শতাংশ জমির মালিকানা বুঝে নিতে ভোলাকোট ইউনিয়নের তোরাব মিজি বাড়িতে যান। এ সময় তাজুল ইসলামও স্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাজুলের ভায়রা নুর ইসলাম ও তার দুই ছেলে মাহফুজ ও শুক্কুরসহ একই বাড়ির আরও কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন তাজুল ইসলাম। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পাশের বাড়ির বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ওই জমি নিয়ে প্রায় ১০ বছর ধরে জেলা আদালতে মামলা চলছে। রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং সঠিক
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (২৩ মার্চ) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার ৯ নম্বর ভোলাকোট ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তাজুল ইসলাম (৬০) উপজেলার ১০ নম্বর ভাটরা ইউনিয়নের হীরাপুর গ্রামের সাজিবাড়ির মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি পেশায় একজন কাঠ মিস্ত্রি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা বেগম তার পৈতৃক সূত্রে পাওয়া ৭ শতাংশ জমির মালিকানা বুঝে নিতে ভোলাকোট ইউনিয়নের তোরাব মিজি বাড়িতে যান। এ সময় তাজুল ইসলামও স্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাজুলের ভায়রা নুর ইসলাম ও তার দুই ছেলে মাহফুজ ও শুক্কুরসহ একই বাড়ির আরও কয়েকজন মিলে তার ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন তাজুল ইসলাম। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পাশের বাড়ির বাসিন্দা মনির হোসেন বলেন, ওই জমি নিয়ে প্রায় ১০ বছর ধরে জেলা আদালতে মামলা চলছে।
রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মামলার প্রস্তুতি চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
What's Your Reaction?