জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

বর্ষা মৌসুমের আগে জলাবদ্ধতা কমাতে চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে নালা-নর্দমা পরিষ্কারে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিভিন্ন এলাকায় চলমান এ কার্যক্রম পরিদর্শন করে নগরবাসীকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিক মেয়র বলেন, শুধু সিটি করপোরেশন একা কাজ করলে হবে না। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। নালা-খালে ময়লা ফেলা বন্ধ না হলে বর্ষা এলেই একই সমস্যা দেখা দেবে। চসিকের তথ্যমতে, ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ নামে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ২ নম্বর জালালাবাদ, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ও ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কয়েকটি এলাকায় নালা-নর্দমা পরিষ্কার ও জমে থাকা মাটি অপসারণের কাজ করা হয়। পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একযোগে নগরের সব ওয়ার্ডেই এ ধরনের কার্যক্রম চলছে। পরিদর্শনের সময় মেয়র কয়েকটি স্থানে নিজ হাতে নালা থেকে ময়লা তুলে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত বছর খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হয়েছিল। এবার সমন্বিতভাবে কাজ করে তা আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে। মেয়

জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

বর্ষা মৌসুমের আগে জলাবদ্ধতা কমাতে চট্টগ্রাম নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে নালা-নর্দমা পরিষ্কারে বিশেষ কর্মসূচি শুরু করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিভিন্ন এলাকায় চলমান এ কার্যক্রম পরিদর্শন করে নগরবাসীকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

চসিক মেয়র বলেন, শুধু সিটি করপোরেশন একা কাজ করলে হবে না। জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে নাগরিকদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। নালা-খালে ময়লা ফেলা বন্ধ না হলে বর্ষা এলেই একই সমস্যা দেখা দেবে।

চসিকের তথ্যমতে, ‘ক্র্যাশ প্রোগ্রাম’ নামে পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় ২ নম্বর জালালাবাদ, ৩ নম্বর পাঁচলাইশ ও ৭ নম্বর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কয়েকটি এলাকায় নালা-নর্দমা পরিষ্কার ও জমে থাকা মাটি অপসারণের কাজ করা হয়। পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একযোগে নগরের সব ওয়ার্ডেই এ ধরনের কার্যক্রম চলছে।

পরিদর্শনের সময় মেয়র কয়েকটি স্থানে নিজ হাতে নালা থেকে ময়লা তুলে পরিচ্ছন্নতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গত বছর খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হয়েছিল। এবার সমন্বিতভাবে কাজ করে তা আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

মেয়র বলেন, নগরে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার ড্রেন ও অসংখ্য খাল রয়েছে। এসব নিয়মিত পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য চসিকের পাশাপাশি অন্য সেবাদানকারী সংস্থাগুলোকেও সমন্বিতভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে।

নালা-খালে বর্জ্য ফেলা, ড্রেন সংকুচিত করা বা অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান মেয়র। তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চসিক সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমিয়ে নগরবাসীর দুর্ভোগ লাঘব করতে আগামী কয়েক সপ্তাহ নগরীর বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এমআরএএইচ/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow