জাতিকে যারা বিভক্ত করতে চায়, তারাই জাতির দুশমন: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতিকে বিভক্ত করার যে কোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মত ও রাজনীতিতে ভিন্নতা থাকতে পারে তবে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ আয়োজিত ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২৬\' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জাতিকে বিভক্ত করতে চাই না। যারা জাতিকে বিভক্ত করতে চায় তারাই জাতির দুশমন। আমাদের ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন রাজনীতি থাকবে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থের জায়গায় সবাই বলবো আমরা ঐক্যবদ্ধ। তিনি বলেন, ক্ষমতা কখনো চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ ছাড়া কারও ক্ষমতা স্থায়ী থাকে না। মানুষ তার কর্মের ফল একদিন ভোগ করবেই। অতীতের বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, দেশের ইতিহাসে এমন সময় এসেছে যখন মানুষ চরম দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে। পরবর্তীসময়েও বিভিন্ন শাসনামলে জনগণ নিপীড়ন, বৈষম্য ও অধিকারহীনতার শিকার

জাতিকে যারা বিভক্ত করতে চায়, তারাই জাতির দুশমন: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জাতিকে বিভক্ত করার যে কোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মত ও রাজনীতিতে ভিন্নতা থাকতে পারে তবে জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে সবাইকে এক কাতারে দাঁড়াতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ আয়োজিত ‘জুলাই সাংস্কৃতিক উৎসব-২০২৬' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা জাতিকে বিভক্ত করতে চাই না। যারা জাতিকে বিভক্ত করতে চায় তারাই জাতির দুশমন। আমাদের ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন রাজনীতি থাকবে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থের জায়গায় সবাই বলবো আমরা ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, ক্ষমতা কখনো চিরস্থায়ী নয়। আল্লাহ ছাড়া কারও ক্ষমতা স্থায়ী থাকে না। মানুষ তার কর্মের ফল একদিন ভোগ করবেই।

অতীতের বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে জামায়াত আমির বলেন, দেশের ইতিহাসে এমন সময় এসেছে যখন মানুষ চরম দারিদ্র্য, দুর্ভিক্ষ ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে। পরবর্তীসময়েও বিভিন্ন শাসনামলে জনগণ নিপীড়ন, বৈষম্য ও অধিকারহীনতার শিকার হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের পর দীর্ঘ সময় দেশে দমন-পীড়নের শাসন চলেছে। বিরোধীমতের মানুষের বিরুদ্ধে হত্যা, গুম, নির্যাতন এবং রাষ্ট্রের সম্পদ বিদেশে পাচারের মতো ঘটনা ঘটেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটি জাতিকে ধ্বংস করতে হলে তার শিক্ষা ও সংস্কৃতিকে ধ্বংস করাই যথেষ্ট। তাই সুস্থ, নৈতিক ও মূল্যবোধভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে জাতিকে ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে আরও উদ্ভাবনী উদ্যোগ প্রয়োজন। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের কর্মীদের উৎসাহিত করতে পুরস্কার দেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে জামায়াত আমির বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষা থেকেই সেই আন্দোলনের সৃষ্টি হয়েছিল। তিনি দাবি করেন স্বৈরাচারের পতন হলেও তার প্রভাব ও অপসংস্কৃতির ছায়া এখনো পুরোপুরি দূর হয়নি।

এ কারণে দেশপ্রেম, নৈতিকতা ও জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি। সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষ সম্মানের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বলতে পারবে—আমি একজন বাংলাদেশি। সকলের প্রত্যাশার বাংলাদেশই হোক আগামী দিনের বাংলাদেশ।

এমইউ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow