জাতির সব সংকটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ জাতির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সংকটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ কিংবা দেশের বিভিন্ন সংকটের কথা যদি বলি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান সবসময়ই ছিল। প্রতিটি জাতীয় সংকটে তাদের অবস্থান ছিল দৃশ্যমান। এ কারণেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। আরও পড়ুন দেশে শিক্ষার ধারা ২৭টি, সবগুলো অভিন্ন করা হবে: ববি হাজ্জাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সংকটের বিষয়ে তিনি জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস, নতুন হল ও আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে। এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। শিক্ষার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) দেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ জাতির প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সংকটে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ কিংবা দেশের বিভিন্ন সংকটের কথা যদি বলি, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান সবসময়ই ছিল। প্রতিটি জাতীয় সংকটে তাদের অবস্থান ছিল দৃশ্যমান। এ কারণেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একটি ঐতিহাসিক বিশ্ববিদ্যালয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সংকটের বিষয়ে তিনি জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস, নতুন হল ও আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণের বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা চলছে।
এহছানুল হক মিলন আরও বলেন, দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যা সমাধানে নতুন প্রকল্প নেওয়ার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিনস অ্যাওয়ার্ড শুধু শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি নয়, এটি তাদের মধ্যে নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ ও সমাজের প্রতি অঙ্গীকার তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ক্যাম্পাস নির্মাণে সরকার সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সবসময় সহযোগিতা করে যাচ্ছে। নতুন ক্যাম্পাসে স্থানান্তরের আগ পর্যন্ত বর্তমান ক্যাম্পাসের উন্নয়নেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে মোট ৭টি অনুষদ ও ২টি ইনস্টিটিউটের ১০৪ জন শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। চার শিক্ষাবর্ষে সর্বোচ্চ ২৮ জন শিক্ষার্থী মনোনীত হয়েছেন লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদ থেকে। এরপর কলা অনুষদে ২১ জন, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে ১৭ জন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে ১৬ জন এবং বিজ্ঞান অনুষদে ১৫ জন শিক্ষার্থী মনোনয়ন পেয়েছেন। এছাড়া আইন অনুষদ ও চারুকলা অনুষদ থেকে ৩ জন করে শিক্ষার্থী এই সম্মাননার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।
অনুষ্ঠানে ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রইছ উদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সাবিনা শারমিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
কেএসআর/
What's Your Reaction?

