জামাতাকে ‘ছাত্রলীগকর্মী’ সাজিয়ে মারধরের পর পুলিশে দিলেন ছাত্রদল নেতা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিবারের অমতে বিয়ে করায় জামাতা ও তার ভাইকে ‘ছাত্রলীগকর্মী’ (নিষিদ্ধ সংগঠন) সাজিয়ে মারধর ও পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে। কুতুবপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান ওরফে মনার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা হলেন শাহরিয়ার সোহান শিমুল (২১) ও তার বড় ভাই শফিকুল ইসলাম শুভ (২৮)। পুলিশ তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রোববার (২ আগস্ট) আদালতে পাঠায়। গ্রেফতারের মধ্যে শাহরিয়ার সোহান শিমুল শিমুলের স্ত্রী মুশফিকা হাসান নৈতী বলেন, “প্রায় চার মাস আগে পরিবারের অমতে গিয়ে আমি আমার পছন্দ অনুযায়ী শাহরিয়ার সোহান শিমুলকে বিয়ে করি। এই বিয়ের পর থেকেই আমার পরিবার আমি ও আমার স্বামীকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। শনিবার (১ আগস্ট) আমার বাবা কামরুল হাসান মনা রাস্তায় একা পেয়ে শিমুলকে প্রথমে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে মারধর করেন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করান।” আরও পড়ুন জুলাই নিয়ে ‘কুরুচিপূর্ণ’ মন্তব্য, ছাত্রলীগকর্মী গ্রেফতার তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছি। আমাক
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পরিবারের অমতে বিয়ে করায় জামাতা ও তার ভাইকে ‘ছাত্রলীগকর্মী’ (নিষিদ্ধ সংগঠন) সাজিয়ে মারধর ও পরে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে। কুতুবপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান ওরফে মনার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগীরা হলেন শাহরিয়ার সোহান শিমুল (২১) ও তার বড় ভাই শফিকুল ইসলাম শুভ (২৮)। পুলিশ তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রোববার (২ আগস্ট) আদালতে পাঠায়।
গ্রেফতারের মধ্যে শাহরিয়ার সোহান শিমুল শিমুলের স্ত্রী মুশফিকা হাসান নৈতী বলেন, “প্রায় চার মাস আগে পরিবারের অমতে গিয়ে আমি আমার পছন্দ অনুযায়ী শাহরিয়ার সোহান শিমুলকে বিয়ে করি। এই বিয়ের পর থেকেই আমার পরিবার আমি ও আমার স্বামীকে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। শনিবার (১ আগস্ট) আমার বাবা কামরুল হাসান মনা রাস্তায় একা পেয়ে শিমুলকে প্রথমে ‘চোর’ আখ্যা দিয়ে মারধর করেন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় ছাত্রলীগ-সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একটি মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করান।”
তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেছি। আমাকে কেউ জোর করেনি। কিন্তু আমার পরিবার এই বিয়ে মেনে নেয়নি। তারা আমাকে বাড়িতে নিয়ে নির্যাতনও করেছে। এখন আমার স্বামী ও তার ভাইকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠানো হয়েছে। আমি প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কামরুল হাসান মনা বলেন, ‘শিমুল আর তার ভাই ছাত্রলীগ করে। তারা মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এলাকার লোকজন ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। এখানে আমার কোনো ভূমিকা নেই।’
তিনি আরও বলেন, শিমুল আমার মেয়ের স্বামী নয়, আমার মেয়ের এখনো বিয়ে হয়নি।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, “কে কী অভিযোগ করলো, তা নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। আমাদের কাছে মনে হয়েছে তারা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। কারণ আদালতে পাঠানোর পরও তারা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন। তারপরও তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।”
প্রসঙ্গত, গত ২৭ মে কামরুল হাসান মনা তার মেয়েকে অপহরণের অভিযোগে শাহরিয়ার সোহান শিমুল, শফিকুল ইসলাম শুভসহ চারজনের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছিলেন।
মোবাশ্বির শ্রাবণ/এসআর
What's Your Reaction?

