জামায়াত নেতা হত্যার বিচার ছাড়া নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না: গোলাম পরওয়ার
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার না করলে এবং দেশ সহিংস হয়ে উঠলে নির্বাচন নিরপেক্ষ-অবাধ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি আমাদের নেতাদের হত্যা করে, চাঁদাবাজি করে; তাহলে ক্ষমতায় গেলে তাদের কাছে আমাদের হিন্দু-মুসলিম কারও জানমাল নিরাপদ থাকবে না। নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে।’ গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর যে নেতাকে হত্যা করা হয়েছে– বিএনপির সন্ত্রাসীরা তার ওপর নিষ্ঠুরভাবে হামলা করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রকাশ্য প্রচারিভিযানের প্রথম হত্যাকাণ্ডের বিচার এই সরকারকে করতে হবে। খুনীদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আর যেন জামায়াতে ইসলামীসহ কোনো দলের প্রার্থীদের ওপর হামলা করা না হয়, সেটা নিশ্চিত না করলে, দেশ যদি সহিংস হয়ে উঠে; এই নির্বাচন নিরপেক্
শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যার বিচার বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার না করলে এবং দেশ সহিংস হয়ে উঠলে নির্বাচন নিরপেক্ষ-অবাধ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মাঠে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি আমাদের নেতাদের হত্যা করে, চাঁদাবাজি করে; তাহলে ক্ষমতায় গেলে তাদের কাছে আমাদের হিন্দু-মুসলিম কারও জানমাল নিরাপদ থাকবে না। নিরাপদ বাংলাদেশের জন্য দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে।’
গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘শেরপুরে জামায়াতে ইসলামীর যে নেতাকে হত্যা করা হয়েছে– বিএনপির সন্ত্রাসীরা তার ওপর নিষ্ঠুরভাবে হামলা করে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রকাশ্য প্রচারিভিযানের প্রথম হত্যাকাণ্ডের বিচার এই সরকারকে করতে হবে। খুনীদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আর যেন জামায়াতে ইসলামীসহ কোনো দলের প্রার্থীদের ওপর হামলা করা না হয়, সেটা নিশ্চিত না করলে, দেশ যদি সহিংস হয়ে উঠে; এই নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না। ভোটকেন্দ্রে তারা সন্ত্রাস করবে।’
জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা দেখতে পাচ্ছি বিএনপির কোনো কোনো নেতা বক্তব্য দিচ্ছেন দাঁড়িপাল্লার কাজ করার জন্য মহিলারা যদি কোনো বাড়িতে যায়, তাদের কাপড়চোপড় খুলে নেবে। তাদের ওপর হামলা করছে, গায়ে হাত তুলছে। যারা নির্বাচনের আগের নারীদের গায়ে হাত তোলে, তাদের কাপড় খুলে নিতে চায়; ক্ষমতায় গেলে তারা এদেশের কী আচরণ করবে!’
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আবুল বাশারের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসাইন, সেক্রেটারি আমিনুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহসিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী আমজাদ হোসেন আশরাফী প্রমুখ।
What's Your Reaction?