জামায়াত নেতার ব্যক্তিগত গাড়িচালকের মরদেহ মিলল মাছের ঘেরে
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় একটি মাছের ঘের থেকে সুমন হোসেন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার কৈখালী গ্রামের একটি মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন হোসেন (২৬) কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ইসলামী বক্তা ও জামায়াত মনোনীত লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মনোয়ার হোসেনের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন সুমন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন কৈখালী এলাকার কেসমত আলীর মাছের ঘেরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের বাবা আব্দুল হামিদ বলেন, রাতে খেলা দেখতে বের হওয়ার পর থেকে ছেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে জানতে পারি, ঘেরের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া গেছে। মরদেহটি উলঙ্গ অবস্থায় ছিল। মাওলানা মনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তার পোশাক খুলে নেওয়া হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন
সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় একটি মাছের ঘের থেকে সুমন হোসেন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে উপজেলার কৈখালী গ্রামের একটি মাছের ঘের থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সুমন হোসেন (২৬) কৈখালী গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। তিনি ইসলামী বক্তা ও জামায়াত মনোনীত লাবসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মনোয়ার হোসেনের ব্যক্তিগত গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা দেখার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন সুমন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। সোমবার সকালে স্থানীয় লোকজন কৈখালী এলাকার কেসমত আলীর মাছের ঘেরে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের বাবা আব্দুল হামিদ বলেন, রাতে খেলা দেখতে বের হওয়ার পর থেকে ছেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সকালে জানতে পারি, ঘেরের মধ্যে তার মরদেহ পাওয়া গেছে। মরদেহটি উলঙ্গ অবস্থায় ছিল।
মাওলানা মনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলের আলামত দেখে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তার পোশাক খুলে নেওয়া হয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?