জামায়াতের নেতাদের এমন কিছু বলা উচিত না, যেটা ইমানি পরীক্ষায় ফেলে
জামায়াত নেতাদের এমন কিছু বলা উচিত না যেটা তাদের ইমানি পরীক্ষায় ফেলে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আল্লাহ কারও দম্ভ ও অহংকার পছন্দ করেন না। জামায়াত নেতারা বলেন ঢাকার একটি সিটও নাকি দেবে না, এই কথা বলা কি অহংকার নয়? আমি বলি, এগুলো ঠিক নয়। এগুলো তাদের কর্মীদের সাহস দেওয়ার জন্য বোধহয় বলে। কিন্তু এমন কিছু বলা উচিত নয়, যেটা তাদের ইমানকে পর্যন্ত পরীক্ষায় ফেলে।’ তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসনে তাদের (জামায়াতের) প্রার্থী বলেছেন, ঢাকায় কোনো সিট দেবে না আরকি। আচ্ছা বলেন ভাই, সিট দেওয়ার মালিকটা কে? অবশ্যই আল্লাহ। কার ক্ষমতায় বলতেছে যে ঢাকায় আর কোনো আসন কাউকে দেওয়া হবে না? আরে ভাই আমরা তো ৯১ সালে ঢাকায় সব আসন পাইছিলাম। আমরা তো বলতেছি না অন্য কেউ কোনো আসন পাবে না। পাইতেই পারে। অসম্ভব কী? নির্বাচন তো একটা আনসার্টেইন (অনিশ্চিত) ব্যাপার। আল্লাহ যাকে সাহায্য করবেন, জনগণ সে অনুযায়ী সমর্থন করবে এবং নির্বাচিত হবে। তিনি বলেন, আম
জামায়াত নেতাদের এমন কিছু বলা উচিত না যেটা তাদের ইমানি পরীক্ষায় ফেলে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘আল্লাহ কারও দম্ভ ও অহংকার পছন্দ করেন না। জামায়াত নেতারা বলেন ঢাকার একটি সিটও নাকি দেবে না, এই কথা বলা কি অহংকার নয়? আমি বলি, এগুলো ঠিক নয়। এগুলো তাদের কর্মীদের সাহস দেওয়ার জন্য বোধহয় বলে। কিন্তু এমন কিছু বলা উচিত নয়, যেটা তাদের ইমানকে পর্যন্ত পরীক্ষায় ফেলে।’
তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসনে তাদের (জামায়াতের) প্রার্থী বলেছেন, ঢাকায় কোনো সিট দেবে না আরকি। আচ্ছা বলেন ভাই, সিট দেওয়ার মালিকটা কে? অবশ্যই আল্লাহ। কার ক্ষমতায় বলতেছে যে ঢাকায় আর কোনো আসন কাউকে দেওয়া হবে না? আরে ভাই আমরা তো ৯১ সালে ঢাকায় সব আসন পাইছিলাম। আমরা তো বলতেছি না অন্য কেউ কোনো আসন পাবে না। পাইতেই পারে। অসম্ভব কী? নির্বাচন তো একটা আনসার্টেইন (অনিশ্চিত) ব্যাপার। আল্লাহ যাকে সাহায্য করবেন, জনগণ সে অনুযায়ী সমর্থন করবে এবং নির্বাচিত হবে।
তিনি বলেন, আমরা বলি নাই কখনো যে আর কাউকে কোনো আসন দেওয়াই হবে না। আরে ভাই, জীবনেও কোনো দিন ঢাকায় মহানগর তো দূরের কথা, আশপাশেও তো কোনো দিন কোনো আসন পাননি। এই কথা বলাটা কি একটা অহংকার নয়? এটা একটা দম্ভ নয়?
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্বের ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন নাকি দুর্বল আচরণ করেছে। আমাদের দেশের সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদে বলা আছে যে, বাংলাদেশে জন্মসূত্রে কোনো নাগরিক যদি অন্য কোনো দেশের নাগরিক থেকে থাকেন, তিনি যদি সেই নাগরিকত্ব পরিত্যাগ করেন, তাহলে নির্বাচন অংশগ্রহণ করতে তার কোনো বাধা নাই। কোথাও বলে নাই আপনি পরিত্যাগ করলেন, সেটা ওই দেশে গ্রহণ হইলো কী হইলো না, এটা নিয়ে আপনাকে কোনো শর্ত আরোপ করা নাই। একইভাবে আমাদের আরপিও অনুযায়ী, হলফনামায় আপনি দ্বৈত নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন কী করেন নাই, সেটা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই আবেদন গৃহীত হয়েছে কী হয়নি, সেটা জানতে চাওয়া হয়নি।’
পোস্টাল ব্যালটে থাকা ধানের শীষ প্রতীকের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শুরুতে দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি ও হাতপাখা দেওয়া হয়েছে। আর ধানের শীষ দিয়েছে মাঝে, যেখানে ব্যালট পেপার ভাজ করলে ভাজের মধ্যে পড়ে যায়। আমরা এটা নিয়ে আলোচনা করলাম নির্বাচন কমিশনে। তারা বললো, এটা আমরা করিনি। এখানে আমরা তো খেয়ালও করিনি, এটা অফিসের লোকরা করেছে। এটা এভাবে হইছে এটা আমরা বুঝতে পারিনি।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘উন্নয়নের পথে দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশের সব দুর্যোগকালে জিয়া পরিবারকে আমরা দেখেছি, জিয়াউর রহমানকে আমরা দেখেছি এবং বেগম খালেদা জিয়াকে আমরা দেখেছি। এখন আমরা তারেক রহমানকে দেখছি। দেশের মানুষ তাদের ওপর নির্ভর করে আস্থা রেখে তাদের ইচ্ছা পূরণের চেষ্টা করেছে, সফল হয়েছে তারা। এবারও সেই চেষ্টা করতে হবে।’
আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজুল উলফাত, সাধারণ সম্পাদক সাদেক খানসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ/ইএ
What's Your Reaction?