জামিনে মুক্তি পেলেন মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত সেই ইরানি যুবক

ইরানে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি এরফান সোলতানিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ২৬ বছর বয়সী সোলতানির আইনজীবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর বিবিসির।  আইনজীবী আমির মউসাখানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তার মক্কেল জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় ১২ হাজার ৬০০ ডলারের বিনিময়ে এরফান সোলতানিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। মুক্তির সময় এরফান সোলতানির কাছ থেকে রেখে দেওয়া মুঠোফোনসহ সব জিনিস ফেরত দেওয়া হয়েছে।  নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হেনগো অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস, আইএসএনএসহ ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এরফান সোলতানির জামিন পাওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদন করেছে। এরফান সোলতানির বাড়ি ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তর-পশ্চিমের শহর কারাজের ফারদিসে। গত ৮ জানুয়ারি সরকারবিরোধী আন্দোলনের অভিযোগে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার আগে তখন শহরটিতে বিক্ষোভ তুঙ্গে ছিল।  গ্রেপ্তার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এরফান সোলতানির পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়, বিচার শেষ হয়ে গেছে। এরফান সোলতানি মৃত্যুদণ্ডের স

জামিনে মুক্তি পেলেন মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত সেই ইরানি যুবক

ইরানে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আসামি এরফান সোলতানিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ২৬ বছর বয়সী সোলতানির আইনজীবী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর বিবিসির। 

আইনজীবী আমির মউসাখানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, গত শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তার মক্কেল জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। প্রায় ১২ হাজার ৬০০ ডলারের বিনিময়ে এরফান সোলতানিকে জামিন দেওয়া হয়েছে। মুক্তির সময় এরফান সোলতানির কাছ থেকে রেখে দেওয়া মুঠোফোনসহ সব জিনিস ফেরত দেওয়া হয়েছে। 

নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হেনগো অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস, আইএসএনএসহ ইরানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এরফান সোলতানির জামিন পাওয়ার বিষয়ে প্রতিবেদন করেছে।

এরফান সোলতানির বাড়ি ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তর-পশ্চিমের শহর কারাজের ফারদিসে। গত ৮ জানুয়ারি সরকারবিরোধী আন্দোলনের অভিযোগে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার আগে তখন শহরটিতে বিক্ষোভ তুঙ্গে ছিল। 

গ্রেপ্তার হওয়ার তিন দিনের মাথায় এরফান সোলতানির পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়, বিচার শেষ হয়ে গেছে। এরফান সোলতানি মৃত্যুদণ্ডের সাজা পেয়েছেন। ১৪ জানুয়ারি ফাঁসির সাজা কার্যকর করা হবে।

এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ডের সাজার খবর নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রথম প্রকাশ করে নরওয়েভিত্তিক হেনগো অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস। প্রতিষ্ঠানটি মূলত ইরান ও কুর্দিস্তানের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কাজ করে।

এ খবর প্রকাশের পরপর বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। একের পর এক মৃত্যুদণ্ড নিয়ে আগে থেকেই ইরানের বিরুদ্ধে সরব ছিল পশ্চিমারা। তার ওপর মাত্র দুই দিনের বিচারে কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়া নিয়ে ইরানকে হুমকি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার মুখে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে তেহরান। এরপর ইরানের একটি আদালত এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে তাকে কারাদণ্ড দেন। যদিও ইরানের বিচার বিভাগ দাবি করেছে, মৃত্যুদণ্ড নয় বরং তাকে নিরাপত্তা-সম্পর্কিত অভিযোগে কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিলো।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow