জিয়াউর রহমান বিশ্ব রাজনীতিতেও একজন আদর্শবান নেতা ছিলেন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন না, তিনি বিশ্ব রাজনীতিতেও একজন আদর্শবান নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবেদিন ফারুক। এছাড়াও তিনি বলেন,আন্তর্জাতিক সম্পর্র ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক নীতি অনুসরণ করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা পালন করেন যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। এর ফলে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায় বলেও দাবি করেন তিনি।দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য জিয়াউর রহমান নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জনগণের অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।জ

জিয়াউর রহমান বিশ্ব রাজনীতিতেও একজন আদর্শবান নেতা ছিলেন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন না, তিনি বিশ্ব রাজনীতিতেও একজন আদর্শবান নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জয়নুল আবেদিন ফারুক।

এছাড়াও তিনি বলেন,আন্তর্জাতিক সম্পর্র ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমান একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক নীতি অনুসরণ করেছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে তিনি কার্যকর ভূমিকা পালন করেন যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।

তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বহুমুখী কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়। এর ফলে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায় বলেও দাবি করেন তিনি।দেশের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য জিয়াউর রহমান নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি জনগণের অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন মডেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।জিয়াউর রহমান ছিলেন এমন একজন নেতা, যিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। তার রাজনৈতিক দর্শন আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক।

জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন, ইতিহাস নিয়ে ভিন্নমত থাকতে পারে, তবে রাষ্ট্র পরিচালনা,উন্নয়ন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের ক্ষেত্রে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মের কাছে তার আদর্শ ও কর্ম তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং জাতীয় ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করতে অতীতের নেতৃত্ব থেকে শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন। আর সেই আলোচনায় জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক অবদান গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (৩০ মে) দুপুরে সেনবাগ উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

সেনবাগ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেনবাগ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাহার,সেনবাগ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক বাবুল,সদস্য সচিব শহিদ উল্লাহসহ সেনবাগ উপজেলা ও পৌর বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রুহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow