জুলাই মাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ফিকে হয়ে গেছে: নাজমুল হাসান
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাজমুল হাসান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জুলাই মাসে ফিকে হয়ে গেছে। বিএনপি সরকার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই দুঃখজনক। অথচ, এই আন্দোলনে বিএনপির ৪ শতাধিক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। জুলাইকে আমরা যত কম স্মরণ করবো, আওয়ামী প্রোপাগান্ডা তত বেশি বিস্তৃত হবে। শনিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ মেঘনা উপজেলা শাখা আয়োজিত ‘জুলাই জাগরণ: রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নাজমুল হাসান বলেন, এর ফলে আওয়ামী লীগের অপকর্মগুলো ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যাচ্ছে এবং তাদের সমর্থকরা আবারও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং শেখ হাসিনা সরকারের সময়কার নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনাগুলো যত বেশি মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে, ততই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার নিষ্ঠুরতা সম্পর্কে জানতে পারবে এবং তার কর্মকাণ্ডের প্রতি আরও ক্ষুব্ধ হবে ও ঘৃণাবোধ করবে। বক্তব্যে নাজমুল হাসান মেঘনা উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধ
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক নাজমুল হাসান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান জুলাই মাসে ফিকে হয়ে গেছে। বিএনপি সরকার গণঅভ্যুত্থান নিয়ে যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই দুঃখজনক। অথচ, এই আন্দোলনে বিএনপির ৪ শতাধিক নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। জুলাইকে আমরা যত কম স্মরণ করবো, আওয়ামী প্রোপাগান্ডা তত বেশি বিস্তৃত হবে।
শনিবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ মেঘনা উপজেলা শাখা আয়োজিত ‘জুলাই জাগরণ: রক্তের ঋণ ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নাজমুল হাসান বলেন, এর ফলে আওয়ামী লীগের অপকর্মগুলো ধীরে ধীরে আড়ালে চলে যাচ্ছে এবং তাদের সমর্থকরা আবারও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং শেখ হাসিনা সরকারের সময়কার নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনাগুলো যত বেশি মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে, ততই দেশের মানুষ শেখ হাসিনার নিষ্ঠুরতা সম্পর্কে জানতে পারবে এবং তার কর্মকাণ্ডের প্রতি আরও ক্ষুব্ধ হবে ও ঘৃণাবোধ করবে।
বক্তব্যে নাজমুল হাসান মেঘনা উপজেলার বিভিন্ন স্থানীয় সমস্যা ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। বিশেষ করে তিনি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাঙ্ক্ষিত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। হাসপাতালের পরিবেশ অত্যন্ত নাজুক উল্লেখ করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান, যেন মেঘনার মানুষ একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পেতে পারে।

পদত্যাগের পর যা বললেন মেঘমল্লার বসু
সড়কের দুরবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে আমি এই সড়কের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দের রি-শিডিউল এনে দিয়েছিলাম। কিন্তু, দুঃখজনকভাবে এত সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ সম্পন্ন হয়নি। এতে প্রবীণ, সাধারণ জনগণ এবং বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের যাতায়াতে চরম ঝুঁকি ও দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি দ্রুত সড়ক নির্মাণকাজ শেষ করার জোর দাবি জানান।
তিনি বলেন, এক সময় মেঘনার প্রধান সমস্যা ছিল অবৈধ বালু উত্তোলন, এখন সেই জায়গা দখল করেছে মাদক। উপজেলার প্রায় প্রতিটি এলাকায় মাদকের বিস্তার ঘটেছে, যা আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে।
প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি প্রতিটি মহল্লা ও ইউনিয়নভিত্তিক মাদকবিরোধী টিম গঠন করে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। মাদকের বিরুদ্ধে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে বলে সতর্ক করেন তিনি।
মেঘনা উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আমির ইসলাম রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রূপমিয়া হোসাইন রাজ, মোখলেছুর রহমান, কাইয়ুম হাসান এবং স্থানীয় ছাত্রদলের সভাপতি-সেক্রেটারিসহ ছাত্র অধিকার পরিষদের অন্যান্য নেতারা।
এনএস/এএমএ
What's Your Reaction?