জুলাই সনদের বিষয়টি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধীপক্ষের মতভেদ প্রশ্নে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, জাতীয় সংসদে আলোচনা করে এটা ঠিক করতে হবে। তবে বাংলাদেশের অভ‌্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মন্তব‌্য করা সমীচ‌ীন হবে না বলে মনে করেন তি‌নি।মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’-এ অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।  সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশে এখন সংসদ বলবৎ আছে। জনগণ ভোট দিয়েছে। এক‌টি সংসদীয় গণতন্ত্র কার্যকর আছে। সংসদে এম‌পিরা তর্ক-বিতর্ক করে সংস্কার এবং জুলাই‌ সনদ বিষয়ে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নেবেন। জনসম্ম‌ুখে আন্তর্জা‌তিক সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে বলা সমীচীন নয়। বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থকে বিবেচনা করে সংসদে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উ‌চিত বলেও জানান তিনি। যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া অর্থ ফেরানো নি‌য়ে ব্রিটিশ হাইক‌মিশনার বলেন, ২০২৫ সালের জুন থেকে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করেছে। এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার অখণ্ডতা এবং আইনের

জুলাই সনদের বিষয়টি সংসদে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার ও বিরোধীপক্ষের মতভেদ প্রশ্নে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, জাতীয় সংসদে আলোচনা করে এটা ঠিক করতে হবে। তবে বাংলাদেশের অভ‌্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মন্তব‌্য করা সমীচ‌ীন হবে না বলে মনে করেন তি‌নি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’-এ অংশ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। 

সারাহ কুক বলেন, বাংলাদেশে এখন সংসদ বলবৎ আছে। জনগণ ভোট দিয়েছে। এক‌টি সংসদীয় গণতন্ত্র কার্যকর আছে। সংসদে এম‌পিরা তর্ক-বিতর্ক করে সংস্কার এবং জুলাই‌ সনদ বিষয়ে সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত নেবেন। জনসম্ম‌ুখে আন্তর্জা‌তিক সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে বলা সমীচীন নয়।

বাংলাদেশের জনগণের সর্বোত্তম স্বার্থকে বিবেচনা করে সংসদে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উ‌চিত বলেও জানান তিনি।

যুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া অর্থ ফেরানো নি‌য়ে ব্রিটিশ হাইক‌মিশনার বলেন, ২০২৫ সালের জুন থেকে যুক্তরাজ্য বাংলাদেশি ব্যক্তিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি সম্পদ জব্দ করেছে। এটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার অখণ্ডতা এবং আইনের শাসন বজায় রাখার প্রতি যুক্তরাজ্যের দৃঢ় প্রতিজ্ঞারই বহিঃপ্রকাশ।

তি‌নি বলেন, জব্দ হওয়া সম্পদ ফেরত আনার বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়া। আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করতে অত্যন্ত শক্তিশালী প্রমাণের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এটি এমন কিছু নয় যা রাতারাতি ঘটে যেতে পারে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জব্দ হওয়া অর্থ ফেরাতে হবে।

সারাহ কুক জানান, এ ধরনের আর্থিক অপরাধ দমনে সহযোগিতার জন্য যুক্তরাজ্য এই গ্রীষ্মে লন্ডনে একটি ‘ইলিসিট ফিন্যান্স সামিট’ (অবৈধ অর্থায়ন বিষয়ক সম্মেলন) আয়োজন করবে, যেখানে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুথানের পর যারা যুক্তরাজ্যে আশ্র‍য় নিয়েছে তাদের ফিরিয়ে আনা নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে সারাহ কুক বলেন, যুক্তরাজ্য কোনো নাগরিকের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে না।

সংস্কার নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য সরকারকে যুক্তরাজ্য সহায়তা দিয়ে আসছে। বিশেষ করে অর্থনৈতিক সংস্কার ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে সহায়তা দিচ্ছে যুক্তরাজ্য।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা নিয়ে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, এই সংঘাতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য উভয়েই ক্ষতিগ্রস্ত। যুক্তরাজ্য এই সংঘাত নিরসনে পর্দার আড়ালে নিবিড়ভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডিক্যাব সভাপতি এ কে এম মঈনুদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক ইমরুল কায়েস।

জেপিআই/এমকেআর 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow