জুলাইয়ের লড়াই এখনও শেষ হয়নি: মাহমুদুর রহমান
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, জুলাইয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা এখনও শেষ হয়নি। বাংলাদেশ যত দিন থাকবে, এ লড়াইও তত দিন চলবে। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং ‘ফ্যাসিবাদী শাসনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মাহমুদুর রহমান বলেন, সংবাদমাধ্যমের কাজ হচ্ছে প্রশ্ন করা। সাংবাদিকদের অধিকার হচ্ছে ‘টু আস্ক কোশ্চেনস’। ‘আমরা এখান থেকে বেরিয়ে আসব না, ইনশাআল্লাহ।’ শহীদ পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন এবং তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এই শহীদরা এই অল্প বয়সের জীবন না দিলে আমরা
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের (এনইসি) যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, জুলাইয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা এখনও শেষ হয়নি। বাংলাদেশ যত দিন থাকবে, এ লড়াইও তত দিন চলবে।
রোববার (১৯ জুলাই) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারী শহীদ সাংবাদিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং ‘ফ্যাসিবাদী শাসনে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) ‘জুলাই শহীদ সাংবাদিক সম্মাননা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মাহমুদুর রহমান বলেন, সংবাদমাধ্যমের কাজ হচ্ছে প্রশ্ন করা। সাংবাদিকদের অধিকার হচ্ছে ‘টু আস্ক কোশ্চেনস’। ‘আমরা এখান থেকে বেরিয়ে আসব না, ইনশাআল্লাহ।’
শহীদ পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন এবং তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। তাঁর ভাষায়, ‘এই শহীদরা এই অল্প বয়সের জীবন না দিলে আমরা স্বাধীনতা ফিরে পেতাম না; আমি আমার নির্বাসনজীবন থেকে ফিরে আসতে পারতাম না। আমি আবার আমার দেশ চালু করতে পারতাম না। কাজেই এদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
এনইসি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তুলে ধরে মাহমুদুর রহমান বলেন, এর মাধ্যমে সারা দেশের সব পত্রিকার সম্পাদকদের ঐক্যবদ্ধ করতে চাওয়া হয়েছে। ‘আমরা এলিটিজম থেকে বের হতে চেয়েছি।’
অতীতের অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এর আগে সম্পাদকদের নামে একটি এলিট শ্রেণির নিয়ন্ত্রণ দেখা গেছে। সেখান থেকে বেরিয়ে ঢাকার বাইরের সম্পাদকদেরও যুক্ত করতে চাওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘আর দ্বিতীয় আরেকটা উদ্দেশ্য হচ্ছে, আবার যেন কোনো ফ্যাসিবাদ গড়ে উঠতে না পারে, সে জন্য জাতিকে সার্বক্ষণিকভাবে সজাগ রাখা। এটা আমাদের ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের গোল।’
মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের উত্থানের পেছনে গণমাধ্যমেরও ভূমিকা ছিল। তাঁর মতে, ‘মিডিয়ার তোষামোদির কারণে ফ্যাসিবাদ এতটা ভয়ংকর হয়ে উঠতে পেরেছিল।’
তিনি বলেন, ‘একটি সমস্যা আমার মনে হয়, আমরা জাতি হিসেবে তোষামোদ ও তোষামোদি পছন্দ করি। অদ্ভুত আমাদের ন্যাশনাল ক্যারেক্টার। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল এই তোষামোদিতে বিশ্বাস করে না।’
দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক, কবি ও গবেষক আবদুল হাই শিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান সোহেল।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, ইংরেজি দৈনিক নিউ নেশনের সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ডেইলি ওয়াদারের সম্পাদক ও সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সেক্রেটারি শফিকুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা শামসি আরা জামান এবং মেহেদী হাসানের স্ত্রী ফারহানা পপি।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই বিপ্লবে শহীদ হওয়া পাঁচ সাংবাদিকের পরিবারের হাতে নগদ এক লাখ টাকা করে এবং ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিরা।
কেএইচ/এসএনআর
What's Your Reaction?