জেলের জালে ধরা পড়লো জীবিত রাসেল ভাইপার
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের হারুকান্দি এলাকা থেকে আবারো একটি জীবিত রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে মাছ ধরার জালে সাপটি ধরা পড়লে সেটিকে না মেরে নিরাপদে স্থানীয় খেয়াঘাটে নিয়ে আসেন সুজন নামের এক জেলে। পরে খবর পেয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার জেলে সুজন সোমবার রাতে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল পেতে রাখেন। মঙ্গলবার ভোরে জাল তুলতে গিয়ে তিনি একটি জীবিত রাসেল ভাইপার দেখতে পান। পরে সাপটিকে না মেরে একটি নেটের মধ্যে নিরাপদে রেখে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে নিয়ে আসেন। জেলে সুজন বলেন,‘সাপটি না মেরে ধরে এনেছি। যদি এটি দেশের কোনো গবেষণার কাজে লাগে, সেই চিন্তা থেকেই সংরক্ষণ করেছি।’ ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ খেয়াঘাটে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন। হরিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় সাপটি নিয়ে আসা হয়। জীবিত উদ্ধার হওয়ায় সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তা
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর চরাঞ্চলের হারুকান্দি এলাকা থেকে আবারো একটি জীবিত রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোরে মাছ ধরার জালে সাপটি ধরা পড়লে সেটিকে না মেরে নিরাপদে স্থানীয় খেয়াঘাটে নিয়ে আসেন সুজন নামের এক জেলে। পরে খবর পেয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা সাপটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের উদ্যোগ নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আন্ধারমানিক এলাকার জেলে সুজন সোমবার রাতে পদ্মা নদীতে মাছ ধরার জন্য জাল পেতে রাখেন। মঙ্গলবার ভোরে জাল তুলতে গিয়ে তিনি একটি জীবিত রাসেল ভাইপার দেখতে পান। পরে সাপটিকে না মেরে একটি নেটের মধ্যে নিরাপদে রেখে আন্ধারমানিক খেয়াঘাটে নিয়ে আসেন।
জেলে সুজন বলেন,‘সাপটি না মেরে ধরে এনেছি। যদি এটি দেশের কোনো গবেষণার কাজে লাগে, সেই চিন্তা থেকেই সংরক্ষণ করেছি।’
ঘটনার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ খেয়াঘাটে ভিড় করেন। পরে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেন।
হরিরামপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘স্নেক রেসকিউ টিম বাংলাদেশ’র সহযোগিতায় সাপটি নিয়ে আসা হয়। জীবিত উদ্ধার হওয়ায় সেটিকে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো. সজল আলী/এফএ/জেআইএম
What's Your Reaction?