জ্বালানি তেলের শঙ্কায় পাম্পে চালকদের ভিড়
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারে তেলের দাম ওঠানামার শঙ্কায় দেশের জ্বালানি বাজারে সংকটের আশঙ্কায় সিলেটে পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে ও পাম্পগুলোতে মানুষ ভিড় করছে। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত থেকে শুক্রবার ( ৬ মার্চ) সন্ধা পর্যন্ত সিলেট মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকার পাম্পগুলোতে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। পাম্পের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতারা জানান, দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় আগেভাগেই জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে চেয়েছেন। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চলতি মাসে কোনো দাম বৃদ্ধির কথা নেই এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশ্বাস দিয়েছেন, সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি শুক্র ও শনিবার থাকায় তেলের ওপর চাপ বিশেষভাবে পড়বে না। সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর আম্বরখানা, পাঠানটুলা, আম্বরখানা, সোবহানীঘাট, চৌকিদেখি, তেমুখি, চন্ডপুলসহ বিভিন্ন এলাকার পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ লাইন রয়েছে। লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। পাম্পগুলোতে লাইনের সারি মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে। আম্বরখানা পা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারে তেলের দাম ওঠানামার শঙ্কায় দেশের জ্বালানি বাজারে সংকটের আশঙ্কায় সিলেটে পেট্রোল ও অকটেনের চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে ও পাম্পগুলোতে মানুষ ভিড় করছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাত থেকে শুক্রবার ( ৬ মার্চ) সন্ধা পর্যন্ত সিলেট মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকার পাম্পগুলোতে গাড়ি ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এতে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
পাম্পের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা ক্রেতারা জানান, দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় আগেভাগেই জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে চেয়েছেন। তবে বিক্রেতারা জানিয়েছেন, চলতি মাসে কোনো দাম বৃদ্ধির কথা নেই এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা আশ্বাস দিয়েছেন, সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি শুক্র ও শনিবার থাকায় তেলের ওপর চাপ বিশেষভাবে পড়বে না।
সরেজমিনে দেখা যায়, নগরীর আম্বরখানা, পাঠানটুলা, আম্বরখানা, সোবহানীঘাট, চৌকিদেখি, তেমুখি, চন্ডপুলসহ বিভিন্ন এলাকার পাম্পগুলোতে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের দীর্ঘ লাইন রয়েছে। লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছে। পাম্পগুলোতে লাইনের সারি মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে গেছে।
আম্বরখানা পাম্পে অকটেন কিনতে আসা সোহেল আহমদ নামের কার চালক কালবেলাকে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বিশ্ববাজারে তেলের দাম ওঠানামায় পেট্রোলের দাম বেড়ে যেতে পারে। তার কারণে আমার গাড়ির জন্য তেল কিনতে এসেছি। পাম্প থেকে মাত্র ৫০০ টাকার তেল দিয়েছে।
নগরীর চৌকিদেখি পাম্পের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মোটর সাইকেল চালক সুজন মিয়া কালবেলাকে বলেন, তেলের দাম ওঠানামার শঙ্কায় পাম্পগুলোতে মানুষের ভিড় জমেছে। অনেক কষ্টে কিছু অকটেন নিয়েছি। এছাড়া তেলের পরিমাণ কম দেওয়া হচ্ছে। এর কারণে আমাদের মাঝে আতঙ্ক কাজ করছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব ও সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী বলেন, সিলেটের পাম্পগুলো এখন পর্যন্ত তেলের কোনো সঙ্কট হয়নি। আমাদের সিলেটের সবকটি পাম্পে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল রয়েছে। এ ছাড়া সিলেটের রশিদপুর ও কৈলাশটিলা গ্যাস কূপ থেকে আমাদের সিলেটের পাম্পগুলো চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ করলেই তেলের সঙ্কট সিলেটে হবে না। হুমড়ি খেয়ে সবাই যদি এক সাথে বেশি পরিমাণ তেল নিতে যান, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হবে। এ কারণে অপ্রয়োজনীয় মজুত না করে সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি ব্যবহার করুন।
সিলেট বিভাগীয় পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াসাদ আজিম আদনান বলেন, আমাদের কাছে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। বিশেষ করে পেট্রোল ও অকটেন সিলেটসহ পার্শ্ববর্তী ডিপো থেকে নিয়মিত সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া মাসের মাঝামাঝি সময়ে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ নেই। নিয়ম অনুযায়ী মাস শেষেই প্রয়োজন হলে মূল্য সমন্বয় করা হয়। অতএব, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তিনি আরও বলেন, সাপ্তাহিক ছুটির সময় ডিপো বন্ধ। অনেকেই আতঙ্কে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। যার ফলে সাময়িকভাবে কৃত্রিম সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। পেট্রোল পাম্পগুলো রেশনিং করে তেল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। কারও কারও মজুদ রবিবারের আগেই শেষ হয়ে গেছে।
What's Your Reaction?