জ্বালানি সংকটে শরীয়তপুরে ৬টির মধ্যে ৫ ফিলিং স্টেশন বন্ধ

শরীয়তপুর জেলায় হঠাৎ করেই তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ৬টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ৫টিতেই পর্যাপ্ত তেল না থাকায় তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে ৫টি ফিলিং স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকরা। জানা গেছে, জেলার ৬টি ফিলিং স্টেশন ও ১৮টি ডিলার পয়েন্টে আকস্মিকভাবে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেয়। সকাল থেকেই অধিকাংশ স্টেশনে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জরুরি প্রয়োজনেও অনেক চালক জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে কৃষিখাতেও। পর্যাপ্ত তেলের অভাবে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেক কৃষক সেচের জন্য তেল সংগ্রহে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরেও খালি হাতে ফিরছেন। তবে বিকেল প্রায় ৪টার দিকে শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে সীমিত পরিসরে তেল সরবরাহ শুরু হলে সেখানে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন। ভুক্তভোগী পরিবহন চালক অন্তর মাদবর বলেন, সকাল থেকে কয়েকটি স্টেশন ঘুরে

জ্বালানি সংকটে শরীয়তপুরে ৬টির মধ্যে ৫ ফিলিং স্টেশন বন্ধ

শরীয়তপুর জেলায় হঠাৎ করেই তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। জেলার ৬টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ৫টিতেই পর্যাপ্ত তেল না থাকায় তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও পণ্যবাহী যানবাহনের চালকরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল থেকে ৫টি ফিলিং স্টেশন বন্ধ ঘোষণা করেছে মালিকরা।

জানা গেছে, জেলার ৬টি ফিলিং স্টেশন ও ১৮টি ডিলার পয়েন্টে আকস্মিকভাবে জ্বালানির ঘাটতি দেখা দেয়। সকাল থেকেই অধিকাংশ স্টেশনে তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে জরুরি প্রয়োজনেও অনেক চালক জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছেন না।

জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে কৃষিখাতেও। পর্যাপ্ত তেলের অভাবে সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অনেক কৃষক সেচের জন্য তেল সংগ্রহে এক স্টেশন থেকে আরেক স্টেশনে ঘুরেও খালি হাতে ফিরছেন।

তবে বিকেল প্রায় ৪টার দিকে শহরের একটি ফিলিং স্টেশনে সীমিত পরিসরে তেল সরবরাহ শুরু হলে সেখানে মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার, সিএনজি ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন।

ভুক্তভোগী পরিবহন চালক অন্তর মাদবর বলেন, সকাল থেকে কয়েকটি স্টেশন ঘুরেও তেল পাইনি। সরকার বলছে তেল আছে, কিন্তু আমরা পাচ্ছি না। এখানে এসে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত তেল নিতে পারছি না। স্ট্যান্ডে যাত্রীরা অপেক্ষা করছে, তেল না পেলে গাড়ি চালানো সম্ভব হবে না।

ডেলিভারি কর্মী আকাশ বলেন, তেলের কারণে ঠিকমতো ডেলিভারি দিতে পারছি না। এতে কাস্টমাররা বিরক্ত হচ্ছে, অনেক সময় খারাপ কথাও শুনতে হচ্ছে। আয় কমে গেছে, পরিবার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

হঠাৎ এই জ্বালানি সংকটে জেলার স্বাভাবিক জনজীবনে স্থবিরতা নেমে এসেছে। দ্রুত সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ফরিদপুর বিভাগীয় ফিলিং স্টেশন মালিক সমিতির সহ-সভাপতি ও গ্লোরী ফিলিং স্টেশনের মালিক ফারুক তালুকদার বলেন, গত মাসের রেশিও অনুযায়ী চলতি মাসে তেল সরবরাহ করা হয়েছে। তবে বর্তমানে চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। যারা আগে ১০০ টাকার তেল নিতেন, তারাও এখন ট্যাংক পূর্ণ করে নিচ্ছেন। এ কারণে অতিরিক্ত যে তেলের প্রয়োজন হচ্ছে, তা সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং বাধ্য হয়ে কিছু ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে স্টেশনগুলো পুনরায় চালু করা হবে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow