ঝড়ে ছিঁড়ে পড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো মা-ছেলের
বরগুনার সদর উপজেলায় ঝড়ে ছিঁড়ে পুকুরে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা ও তার দুই বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহতরা হলেন- রায়ভোগ এলাকার বাসিন্দা মো. মিরাজের স্ত্রী নুপুর আক্তার (২৫) এবং তার দুই বছর বয়সী ছেলে শাহাদাত। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হয়। এ সময় রায়ভোগ এলাকার একটি গাছ উপড়ে পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নিহত নুপুর আক্তারের পুকুরে পড়ে যায়। বিষয়টি পরিবারের কেউ টের পায়নি। বুধবার দুপুরের দিকে নুপুর আক্তার তার শিশু সন্তানকে নিয়ে পুকুরে গেলে অসাবধানতাবশত ছিঁড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসেন। এতে মা ও ছেলে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে বিকেল তিনটার দিকে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ছিঁড়ে পড়া তার মেরামত করতে গিয়ে পুকুরে নুপুরের মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় ছেলে শাহাদাতের খোঁজ না পাওয়ায় বিষয়টি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের স
বরগুনার সদর উপজেলায় ঝড়ে ছিঁড়ে পুকুরে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মা ও তার দুই বছর বয়সী ছেলের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের রায়ভোগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহতরা হলেন- রায়ভোগ এলাকার বাসিন্দা মো. মিরাজের স্ত্রী নুপুর আক্তার (২৫) এবং তার দুই বছর বয়সী ছেলে শাহাদাত।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৯ জুন) রাতে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হয়। এ সময় রায়ভোগ এলাকার একটি গাছ উপড়ে পল্লী বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নিহত নুপুর আক্তারের পুকুরে পড়ে যায়। বিষয়টি পরিবারের কেউ টের পায়নি। বুধবার দুপুরের দিকে নুপুর আক্তার তার শিশু সন্তানকে নিয়ে পুকুরে গেলে অসাবধানতাবশত ছিঁড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসেন। এতে মা ও ছেলে ঘটনাস্থলেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে বিকেল তিনটার দিকে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ছিঁড়ে পড়া তার মেরামত করতে গিয়ে পুকুরে নুপুরের মরদেহ ভাসতে দেখেন। এ সময় ছেলে শাহাদাতের খোঁজ না পাওয়ায় বিষয়টি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেওয়া হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর থেকে মা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেন।
নিহত নুপুর আক্তারের দেবর মো. সাইফুল বলেন, গত রাতের ঝড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পুকুরে পড়েছিল। আমরা কেউ বিষয়টি জানতাম না। পরে শুনতে পাই ভাবি ও ভাতিজা পুকুরে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন।
আব্দুল মন্নান নামে আরেক স্বজন বলেন, ঝড়ে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পুকুরে পড়েছিল। কিন্তু তা কেউ জানতো না। ছেলেকে নিয়ে নুপুর পুকুরে গেলে তারা ওই তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিকেলে বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন ছিঁড়ে পড়া তার ঠিক করতে এসে তাদের দেখতে পায়।
বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুকুর থেকে নুপুর আক্তার ও তার ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।
নুরুল আহাদ অনিক/এনএইচআর/জেআইএম
What's Your Reaction?