টাঙ্গাইল-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে সমর্থন দিলেন কাদের সিদ্দিকী
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। একই সঙ্গে তিনি বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ঘোষণা দেন। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে সখীপুর উপজেলার নিজ বাসভবনে আয়োজিত কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের কর্মীসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় কাদের সিদ্দিকী প্রকাশ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন। কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আযম খান আমাকে বলেছেন— যারা গালাগালি ও বেয়াদবি করেছে, তাদের দল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশ্ন করি, সাজু কি আযম খানের নির্দেশ ছাড়া এসব করেছে? একজন মুসলমান কি ইফতার মাহফিলে বাধা দিতে পারে?” তিনি আরও বলেন, “আমি তারেক রহমানের নির্বাচন করতে পারি, কিন্তু আহমেদ আযম খানের নয়। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে গালিগালাজ করেছেন। এজন্য আমি সখীপুর-বাসাইল আসনে আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণা চালাব।” কর্মীসভায় কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, “সংসদে যেন ‘জয় বাংলা’ বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা যায়— এই লক্ষ
টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। একই সঙ্গে তিনি বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর ঘোষণা দেন।
শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে সখীপুর উপজেলার নিজ বাসভবনে আয়োজিত কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের কর্মীসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় কাদের সিদ্দিকী প্রকাশ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর রাসেলের পক্ষে নির্বাচন করার ঘোষণা দেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, “আযম খান আমাকে বলেছেন— যারা গালাগালি ও বেয়াদবি করেছে, তাদের দল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। আমি প্রশ্ন করি, সাজু কি আযম খানের নির্দেশ ছাড়া এসব করেছে? একজন মুসলমান কি ইফতার মাহফিলে বাধা দিতে পারে?”
তিনি আরও বলেন, “আমি তারেক রহমানের নির্বাচন করতে পারি, কিন্তু আহমেদ আযম খানের নয়। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে গালিগালাজ করেছেন। এজন্য আমি সখীপুর-বাসাইল আসনে আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে সরাসরি নির্বাচনী প্রচারণা চালাব।”
কর্মীসভায় কাদের সিদ্দিকী আরও বলেন, “সংসদে যেন ‘জয় বাংলা’ বলা যায়, মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা যায়— এই লক্ষ্যেই আমি বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকীকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিতে বলেছি। এতে আমার ব্যক্তিগত রাজনীতি থাকুক বা না থাকুক, তাতে কিছু আসে যায় না। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলার জন্য কালিহাতীতে আমি দলীয়ভাবে সমর্থন দিয়ে প্রচারণা চালিয়েছি।”
What's Your Reaction?