টাঙ্গাইলে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট উধাও 

টাঙ্গাইলের গোপালপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ২১ জন পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের ওএমআর’র প্রথম অংশ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক প্রভাষক মোজাম্মেল হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্রের (বিষয় কোড-১১০) ওএমআর শিট হারিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোপালপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মানিকুজ্জামান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জানা যায়, ওই দিন এ কেন্দ্রে কারিগরি শাখায় ৫৫৬ জন এবং জেনারেল শাখায় ২৬৮ জনসহ মোট ৮২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক পদ থেকে প্রভাষক মোজাম্মেল হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গোপালপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মানিকুজ্জামান বলেন, ওএমআর শিটের প্রথম অংশ মিসিং হয়েছিল। আমরা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে সব সম্পন্ন করেছি। বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানিয়েছি, যেন পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে কোনো সমস্যা না হয়। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল

টাঙ্গাইলে ২১ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট উধাও 

টাঙ্গাইলের গোপালপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ২১ জন পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের ওএমআর’র প্রথম অংশ হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক প্রভাষক মোজাম্মেল হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষার অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্রের (বিষয় কোড-১১০) ওএমআর শিট হারিয়ে যায়। এ ঘটনায় গোপালপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মানিকুজ্জামান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জানা যায়, ওই দিন এ কেন্দ্রে কারিগরি শাখায় ৫৫৬ জন এবং জেনারেল শাখায় ২৬৮ জনসহ মোট ৮২৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক পদ থেকে প্রভাষক মোজাম্মেল হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গোপালপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মানিকুজ্জামান বলেন, ওএমআর শিটের প্রথম অংশ মিসিং হয়েছিল। আমরা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করে সব সম্পন্ন করেছি। বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে বিষয়টি জানিয়েছি, যেন পরীক্ষার্থীদের ফলাফলে কোনো সমস্যা না হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, আমার তো মাথায় ধরছে না, আমি হাসপাতালে আছি। এরপরই তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মঞ্জুরুল মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ কুমারকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow