টানা আট ঘণ্টা কাজ করেও সম্মানি পাননি ইবির রোভার সদস্যরা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্ক থামছেই না। নিম্নমানের খাবার ও ঘোষিত অতিথিদের অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনার পর এবার বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যদের সম্মানি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টানা আট ঘণ্টা ধরে শৃঙ্খলা রক্ষা, অতিথি প্রটোকল ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করেও সম্মানি না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আর্থিক সংকটের কারণে এবার সম্মানীর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, সমাবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যদের সাধারণত সম্মানি দেওয়া হয়। তবে এবারের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ অনুষ্ঠানে টানা দায়িত্ব পালন করেও তারা কোনো আর্থিক সম্মানি পাননি বলে জানা গেছে। এরআগে এই ওরিয়েন্টশনে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তাঁর আগমন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা করা হয়। পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তবে শেষ ম

টানা আট ঘণ্টা কাজ করেও সম্মানি পাননি ইবির রোভার সদস্যরা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্ক থামছেই না। নিম্নমানের খাবার ও ঘোষিত অতিথিদের অনুপস্থিতি নিয়ে সমালোচনার পর এবার বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যদের সম্মানি না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টানা আট ঘণ্টা ধরে শৃঙ্খলা রক্ষা, অতিথি প্রটোকল ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কাজ করেও সম্মানি না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, আর্থিক সংকটের কারণে এবার সম্মানীর ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা, সমাবর্তনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী বিএনসিসি ও রোভার স্কাউট সদস্যদের সাধারণত সম্মানি দেওয়া হয়। তবে এবারের কেন্দ্রীয় নবীনবরণ অনুষ্ঠানে টানা দায়িত্ব পালন করেও তারা কোনো আর্থিক সম্মানি পাননি বলে জানা গেছে।

এরআগে এই ওরিয়েন্টশনে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তাঁর আগমন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা করা হয়। পাশাপাশি কয়েক দিন ধরে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তবে শেষ মুহূর্তে ব্যস্ততার কারণে তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি। একইভাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ড. মাহাদী আমিনও আসতে পারেননি। এর মধ্যেই ওরিয়েন্টেশনে পরিবেশিত নিম্নমানের ও টক খাবার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নবীন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, অধিকাংশ শিক্ষার্থী খাবার শেষ করতে পারেননি; অনেকে অর্ধেক খেয়ে বা পুরো প্যাকেটই ফেলে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

ইবি রোভার স্কাউট গ্রুপ ইউনিট কাউন্সিলের সভাপতি খন্দকার আবু সাঈম বলেন, সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করলেও আগের বছরের মতো এবার কোনো সম্মানি দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি খাবারের মান নিয়েও সদস্যরা অসন্তুষ্ট।

বিএনসিসি সেনা শাখার ক্যাডেট আন্ডার অফিসার (সিইউও) মোসাদ্দেক হোসেন বলেন, অনুষ্ঠানজুড়ে দায়িত্ব পালন করেও তারা কোনো সম্মানি পাননি। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ধরনের দায়িত্বের জন্য সম্মানি দেওয়া হয়। তবে এখানে স্বেচ্ছাসেবার যুক্তিতে দিয়ে আমাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক।

এ বিষয়ে ইবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম বলেন, আগের বছরগুলোতে রোভার সদস্যদের ২০০ টাকা করে সম্মানি দেওয়া হলেও এবার ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে শুধু খাবারের ব্যবস্থা ছিল, কোনো আর্থিক সম্মানি রাখা হয়নি।

বিএনসিসির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. আব্দুল বারী বলেন, আর্থিক সংকটের কারণে এবার বিএনসিসি ও রোভার সদস্যদের সম্মানি দেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় শুধু দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আলীনূর রহমান বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow