টানা বৃষ্টিতে কমেছে সবজির দাম

খুলনার বাজারে কমেছে সব ধরনের সবজির দাম। চলতি সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে সবজির দাম কমলেও চড়া রয়েছে মাছের বাজার। তবে মাংসের বাজার তুলনামূলক ক্রেতাদের নাগালে রয়েছে। রোববার (১২ জুলাই) খুলনার খালিশপুর বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার ও নতুন বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাজারদর বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা কমেছে। প্রতিকেজি পটোল ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০-১৫০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা, আলু ২৫-৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকা পিস এবং রসুন ৭০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি রুই ২৫০-২৮০, কৈ মাছ ২৫০-২৮০ টাকা, কাতলা মাছ ২৪০-২৫০, ভেটকি ৪০০-৪৫০, পাবদা ৩৫০-৪০০, ছোট চিংড়ি ৬৫০-৮০০, টাকি ২২০-২৫০, তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৮০-২০০, ট্যাংরা ৬০০-৭০০, রূপচাঁদা মাছ ৪০০-৫০০ এবং দেশি বড় পুঁটি মাছ ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির মধ্যে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০-১৮০, সোনালি ২৭০-২৮০ এবং লেয়ার ২৮০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মিস্ত্রিপাড়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কাওসার মিয়া বলেন, ‌‘বৃষ্টিতে ব

টানা বৃষ্টিতে কমেছে সবজির দাম

খুলনার বাজারে কমেছে সব ধরনের সবজির দাম। চলতি সপ্তাহে টানা বৃষ্টিতে সবজির দাম কমলেও চড়া রয়েছে মাছের বাজার। তবে মাংসের বাজার তুলনামূলক ক্রেতাদের নাগালে রয়েছে।

রোববার (১২ জুলাই) খুলনার খালিশপুর বাজার, মিস্ত্রিপাড়া বাজার ও নতুন বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারদর বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ৫-১০ টাকা কমেছে। প্রতিকেজি পটোল ৩০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ১০০-১৫০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া ৩০-৪০ টাকা, পুঁইশাক ৪০ টাকা, আলু ২৫-৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকা, লাউ ৪০-৫০ টাকা পিস এবং রসুন ৭০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি রুই ২৫০-২৮০, কৈ মাছ ২৫০-২৮০ টাকা, কাতলা মাছ ২৪০-২৫০, ভেটকি ৪০০-৪৫০, পাবদা ৩৫০-৪০০, ছোট চিংড়ি ৬৫০-৮০০, টাকি ২২০-২৫০, তেলাপিয়া ও পাঙাশ ১৮০-২০০, ট্যাংরা ৬০০-৭০০, রূপচাঁদা মাছ ৪০০-৫০০ এবং দেশি বড় পুঁটি মাছ ১৫০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

jagonews24

মুরগির মধ্যে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০-১৮০, সোনালি ২৭০-২৮০ এবং লেয়ার ২৮০-৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মিস্ত্রিপাড়া বাজারের সবজি ব্যবসায়ী কাওসার মিয়া বলেন, ‌‘বৃষ্টিতে বাজারে ক্রেতা তেমন নেই বললে চলে। সবজির দাম কম। ঢ্যাঁড়শ, পটোল, উস্তে একদম কম দামে বিক্রি হচ্ছে।’

মাছ বিক্রেতা ছগির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ‘মাছের বাজারের অবস্থা খারাপ। ক্রেতা নেই। অনেক মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতা কমে গেছে। এজন্য বাজারে কেউ ভরপুর মাছও আনছেন না।’

বাজার করতে আসা আশিক হোসেন বলেন, ‘সবজির দাম কিছুটা কম। কিন্তু দেশি সব মাছ উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। কোন মাছ কিনবো ভাবছি।’
 
আরিফুর রহমান/এসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow