টানা ৪ দিন বিদ্যুৎহীন মাদারগঞ্জের ৩০ হাজার মানুষ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর ঝড়ে ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অন্তত ১৫টি এলাকার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) গভীর রাতের কালবৈশাখী ঝড়ের পর থেকে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের ছালাবান্দা, ছোট ভাংবাড়ি, মহিষবাথান, পূর্ব মহিষবাথান, লালডোবা, পূর্ব নলছিয়া, ইলশামারী, চরগুজামানিকা, বাগলেরগড়; চরপাকেরদহ ইউনিয়নের দিকপাড়া; বালিজুড়ী ইউনিয়নের পূ্র্ব তারতাপাড়া; জোড়খালী ইউনিয়নের খিলকাটি পশ্চিমপাড়া এবং গুনারীতলা ইউনিয়নের উত্তর জোড়খালী গুনারীতলা পূর্বপাড়াসহ অন্তত ১৫টি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। চার দিন পেরিয়ে গেলেও অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ না ফেরায় প্রায় অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।
লালডোবা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার পর তারা পড়াশোনা করতে পারছে না। মোবাইল ফোন চার্জ দিতে না পেরে যোগাযোগে ভোগান্তি হচ্ছে। ফ্রিজের খাবার ও নষ্ট হয়ে গেছে। পূ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে কালবৈশাখীর ঝড়ে ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন অন্তত ১৫টি এলাকার প্রায় ৩০ হাজার মানুষ। গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) গভীর রাতের কালবৈশাখী ঝড়ের পর থেকে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের ছালাবান্দা, ছোট ভাংবাড়ি, মহিষবাথান, পূর্ব মহিষবাথান, লালডোবা, পূর্ব নলছিয়া, ইলশামারী, চরগুজামানিকা, বাগলেরগড়; চরপাকেরদহ ইউনিয়নের দিকপাড়া; বালিজুড়ী ইউনিয়নের পূ্র্ব তারতাপাড়া; জোড়খালী ইউনিয়নের খিলকাটি পশ্চিমপাড়া এবং গুনারীতলা ইউনিয়নের উত্তর জোড়খালী গুনারীতলা পূর্বপাড়াসহ অন্তত ১৫টি গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। চার দিন পেরিয়ে গেলেও অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ না ফেরায় প্রায় অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় ৩০ হাজার মানুষ।
লালডোবা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা। সন্ধ্যার পর তারা পড়াশোনা করতে পারছে না। মোবাইল ফোন চার্জ দিতে না পেরে যোগাযোগে ভোগান্তি হচ্ছে। ফ্রিজের খাবার ও নষ্ট হয়ে গেছে। পূর্ব তারতাপাড়া এলাকার জিহাদ আহমেদ বলেন, টানা বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট সেবাও ব্যাহত হচ্ছে। এতে যোগাযোগসহ দৈনন্দিন কাজে চরম সমস্যা হচ্ছে। এভাবে একটানা ৪ দিন বিদ্যুৎ না থাকাটা অনেক কষ্টের।
ছালাবান্দা এলাকার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, কালবৈশাখীর ঝড়ের কারণে ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎহীন রয়েছি। কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা দ্রুত সমস্যার সমাধান করছে না। বিদ্যুৎ না থাকায় কষ্টের শেষ নেই।
এসএসসি পরীক্ষার্থী রায়হান আহমেদ বলেন, পরীক্ষার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় আমাদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। আমরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। অনেকে মোমবাতি বা চার্জার লাইট জ্বালিয়ে কোনোমতে পড়ছে।
খিলকাটি এলাকার কামরুল ইসলাম বলেন, একদিকে ঝড়-বৃষ্টি, অন্যদিকে চার দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই। দীর্ঘ সময়েও সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।
জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, সাম্প্রতিক ঝড়-বৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়ায় কয়েকটি খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলো মেরামতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে।
তিনি আরও বলেন, কয়েকটি এলাকায় আংশিক বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা গেলেও জনবল সংকট ও বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় মেরামতকাজ বিলম্বিত হচ্ছে। তবে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কর্মীরা গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছেন।