টিএসসি থেকে ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে থানায় সোপর্দ

  নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় দেখতে পেয়ে আটক করে সংগঠনটির নেতারা।আটক হওয়া ব্যক্তির নাম এম. সাকিব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ২০২১-২২ সেশনের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী। জুলাই আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় তার নামে দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশফাক ফারহান হিমেল বলেন, টিএসসিতে অবস্থানকালে তারা সাকিবকে শনাক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই হামলাকারীদের মধ্যে সাকিব ছিলেন এবং পরবর্তীতে ৩ আগস্ট পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতামূলক পোস্ট দিয়েছেন। হিমেল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব জানান, ভর্তি-সংক্রান্ত কাজে তিনি ক্যাম্পাসে এসেছেন। পরে তার ফেসবুক কার্যক্রম যাচাই করে বিষয়টিকে হুমকি হিসেবে দেখায় প্রক্টরিয়াল টিমকে

টিএসসি থেকে ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে থানায় সোপর্দ

 

নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক কর্মীকে আটক করে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করেছেন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারা। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) এলাকায় দেখতে পেয়ে আটক করে সংগঠনটির নেতারা।

আটক হওয়া ব্যক্তির নাম এম. সাকিব। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলের ২০২১-২২ সেশনের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী। জুলাই আন্দোলনে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় তার নামে দুটি মামলা রয়েছে।

এছাড়া ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে বহিষ্কারও করা হয়েছিল।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশফাক ফারহান হিমেল বলেন, টিএসসিতে অবস্থানকালে তারা সাকিবকে শনাক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই হামলাকারীদের মধ্যে সাকিব ছিলেন এবং পরবর্তীতে ৩ আগস্ট পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সহিংসতামূলক পোস্ট দিয়েছেন।

হিমেল বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব জানান, ভর্তি-সংক্রান্ত কাজে তিনি ক্যাম্পাসে এসেছেন। পরে তার ফেসবুক কার্যক্রম যাচাই করে বিষয়টিকে হুমকি হিসেবে দেখায় প্রক্টরিয়াল টিমকে ডাকা হয়। এরপর তাদের গাড়িতে করে শাহবাগ থানায় নিয়ে গিয়ে পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সাকিবের নামে মামলা আছে কি না তা যাচাই করা হবে। মামলায় নাম থাকলে তাকে সেই মামলায় চালান দেওয়া হবে, না হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। শাহবাগ থানায় দুটি মামলায় তার নাম রয়েছে। সেই মামলাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এফএআর/জেএইচ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow