টিসিবির পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরলেন উপকারভোগী
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবির পণ্য নিতে এসে স্মার্ট কার্ডধারী প্রায় আড়াই হাজার উপকারভোগী খালি হাতে ফিরে গেছেন। টানা তিন দিন প্রখর রোদ ও ভ্যাপসা গরমে অপেক্ষার পরও পণ্য না পাওয়ায় তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে নতুন করে ২ হাজার ৫১৭টি স্মার্ট টিসিবি কার্ড ইস্যু করে। এসব কার্ডের বিপরীতে ডিলারদের পণ্য বরাদ্দও দেওয়া হয়। পরে মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে পণ্য বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত দিনে পণ্য নিতে এসে উপকারভোগীরা জানতে পারেন, নতুন ইস্যুকৃত কার্ডগুলো টিসিবির অনলাইন সিস্টেমে এখনো সক্রিয় হয়নি। ফলে ডিলাররা পণ্য বিক্রি করতে পারেননি। এতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও পণ্য না পেয়ে তাদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের টিসিবি পণ্য বিক্রয় পয়েন্টে আসা মজিবর রহমান (কার্ড নং-১১৫৮), মিন্নি খাতুন (কার্ড নং-১৩৩৬) ও মাধব চন্দ্র (কার্ড নং-০৯৭৭) জানান, তারা প্রায় দুই মাস আগে স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন। তিন দিন ধরে লাইনে দাঁড়ালেও বারবার বলা হচ্ছে কার্ড সিস্টেমে সাপোর্ট ক
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে টিসিবির পণ্য নিতে এসে স্মার্ট কার্ডধারী প্রায় আড়াই হাজার উপকারভোগী খালি হাতে ফিরে গেছেন। টানা তিন দিন প্রখর রোদ ও ভ্যাপসা গরমে অপেক্ষার পরও পণ্য না পাওয়ায় তাদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে নতুন করে ২ হাজার ৫১৭টি স্মার্ট টিসিবি কার্ড ইস্যু করে। এসব কার্ডের বিপরীতে ডিলারদের পণ্য বরাদ্দও দেওয়া হয়। পরে মাইকিংয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ে পণ্য বিতরণের ঘোষণা দেওয়া হয়।
তবে নির্ধারিত দিনে পণ্য নিতে এসে উপকারভোগীরা জানতে পারেন, নতুন ইস্যুকৃত কার্ডগুলো টিসিবির অনলাইন সিস্টেমে এখনো সক্রিয় হয়নি। ফলে ডিলাররা পণ্য বিক্রি করতে পারেননি। এতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও পণ্য না পেয়ে তাদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের টিসিবি পণ্য বিক্রয় পয়েন্টে আসা মজিবর রহমান (কার্ড নং-১১৫৮), মিন্নি খাতুন (কার্ড নং-১৩৩৬) ও মাধব চন্দ্র (কার্ড নং-০৯৭৭) জানান, তারা প্রায় দুই মাস আগে স্মার্ট কার্ড পেয়েছেন। তিন দিন ধরে লাইনে দাঁড়ালেও বারবার বলা হচ্ছে কার্ড সিস্টেমে সাপোর্ট করছে না। এতে তারা চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। তারা অভিযোগ করে বলেন, যদি পণ্যই না দেওয়া হয়, তাহলে এত কষ্ট করে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হলো কেন?
নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ পয়েন্টের ডিলার মালিহা ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী হারুন অর রশিদ বলেন, নতুন কার্ডগুলো অনলাইন সিস্টেমে অ্যাক্টিভ না থাকায় পণ্য বিক্রি করা যাচ্ছে না। ফলে সিস্টেমে ‘উপকারভোগীর প্রাপ্যতা নাই’ বার্তা দেখাচ্ছে।
ইউএনও দিলারা আক্তার বলেন, সমস্যাটি স্থানীয় প্রশাসনের নয়, বরং টিসিবির রংপুর আঞ্চলিক অফিসের কারিগরি জটিলতার কারণে হয়েছে। নতুন কার্ডগুলো এখনো অ্যাক্টিভ না হওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং আশা করা হচ্ছে, আগামী মাস থেকে উপকারভোগীরা নিয়মিত পণ্য পাবেন।
What's Your Reaction?