টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মরণে তোরণ নির্মাণ, রাতে আগুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি স্মারক তোরণ নির্মাণ করেছে টুঙ্গিপাড়া পৌর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। তবে নির্মাণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তোরণটি আগুনে পুরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ১ নম্বর গেটের দক্ষিণ পাশে কিছুটা দূরে তোরণটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ও আহতদের স্মরণে টুঙ্গিপাড়া পৌর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এ তোরণ নির্মাণ করে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর কে বা কারা তোরণটিতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তোরণের নিচের অংশ আংশিক পুড়ে যায়। ঘটনার পরও অনেক মানুষ সেখানে গিয়ে তোরণটি দেখছেন এবং এতে লেখা বার্তা পড়ছেন। কেউ নীরবে স্থান ত্যাগ করছেন, কেউ আবার বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করলেও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপত

টুঙ্গিপাড়ায় ‘৩৬ জুলাই’ স্মরণে তোরণ নির্মাণ, রাতে আগুন
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি স্মারক তোরণ নির্মাণ করেছে টুঙ্গিপাড়া পৌর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। তবে নির্মাণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তোরণটি আগুনে পুরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের ১ নম্বর গেটের দক্ষিণ পাশে কিছুটা দূরে তোরণটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ ও আহতদের স্মরণে টুঙ্গিপাড়া পৌর ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল এ তোরণ নির্মাণ করে। একই সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যার পর কে বা কারা তোরণটিতে আগুন দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তোরণের নিচের অংশ আংশিক পুড়ে যায়। ঘটনার পরও অনেক মানুষ সেখানে গিয়ে তোরণটি দেখছেন এবং এতে লেখা বার্তা পড়ছেন। কেউ নীরবে স্থান ত্যাগ করছেন, কেউ আবার বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করলেও প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী কালবেলাকে বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান এক দিনের ফসল নয়, এটি দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের বিজয়। এটি নিপীড়িত মানুষের বিজয়।’ তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার সরকারের পতন হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষ নির্যাতন, হত্যা, গুম ও ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এখন সাধারণ মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছে এবং ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow