ট্রাম্প চাইলেও গাজা পরিকল্পনা মানছেন না নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে তৈরি গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাস এই পরিকল্পনায় সমর্থন জানিয়েছিল। নেতানিয়াহুর এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়েছে। খবর এএফপির। রোববার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, জুলাইয়ের শেষ দিকে হামাস যে ১৫ দফা পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছিল, ইসরায়েল তা গ্রহণ করছে না। হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি। নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলি সেনা ও নাগরিকদের জন্য হুমকি তৈরি হলে তা মোকাবিলা করা অব্যাহত থাকবে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তিনি এই পরিকল্পনার সমালোচনা করে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত নিজ দলের কট্টর ডানপন্থি মিত্রদের চাপের মুখে তিনি প্রকাশ্যে পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করেন। অন্যদিকে ট্রাম্প এই পরিকল্পনাকে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইসরায়েলের ‘হোয়াইট হাউসে সবচেয়ে বড় বন্ধু’ বলে উল্লেখ করলেও জানান, প্রয়োজন হলে তার সঙ্গে মতবিরোধে য

ট্রাম্প চাইলেও গাজা পরিকল্পনা মানছেন না নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে তৈরি গাজা যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। হামাস এই পরিকল্পনায় সমর্থন জানিয়েছিল। নেতানিয়াহুর এই সিদ্ধান্তের ফলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট হয়েছে। খবর এএফপির।

রোববার (৯ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নেতানিয়াহু বলেন, জুলাইয়ের শেষ দিকে হামাস যে ১৫ দফা পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছিল, ইসরায়েল তা গ্রহণ করছে না। হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।

নেতানিয়াহু বলেন, ইসরায়েলি সেনা ও নাগরিকদের জন্য হুমকি তৈরি হলে তা মোকাবিলা করা অব্যাহত থাকবে। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে তিনি এই পরিকল্পনার সমালোচনা করে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত নিজ দলের কট্টর ডানপন্থি মিত্রদের চাপের মুখে তিনি প্রকাশ্যে পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করেন।

অন্যদিকে ট্রাম্প এই পরিকল্পনাকে গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইসরায়েলের ‘হোয়াইট হাউসে সবচেয়ে বড় বন্ধু’ বলে উল্লেখ করলেও জানান, প্রয়োজন হলে তার সঙ্গে মতবিরোধে যেতেও তিনি প্রস্তুত।

নেতানিয়াহু বলেন, পরিকল্পনার কিছু বিষয় ইসরায়েলের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও কিছু বিষয় তারা মেনে নিতে পারবে না। এসব বিষয়ে ইসরায়েল নিজের অবস্থানে অটল থাকবে।

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজা যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশটির প্রথম নির্বাচন। বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, নেতানিয়াহু তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রায় সমান অবস্থানে রয়েছেন বা কিছু ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছেন।

এদিকে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি সমর্থকদের মধ্যেও গাজা পরিকল্পনাটি খুব বেশি জনপ্রিয় নয়। তার সরকারের কট্টর ডানপন্থি নেতারাও পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করার জন্য চাপ দিয়ে আসছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow