ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ধারণা, বৈঠকে শি জিনপিং চীন স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধে ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক চীন ও তাইওয়ান বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক জুলিয়ান গেওয়ার্টজ বিবিসিকে বলেন, উদ্বেগ হচ্ছে, শি জিনপিং চাপ প্রয়োগ করলে ট্রাম্প কোনো না কোনোভাবে ছাড় দিতে পারেন। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে এবং ভবিষ্যতে বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্য প্রকাশ্যে জানিয়েছে। প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের পথও তারা নাকচ করেনি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ‘ওয়ান চায়না’ নীতি সমর্থন করলেও তাইওয়ানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। একই সঙ্গে মার্কিন আইনে দ্বীপটিকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। বিশ্লেষক জুলিয়ান গেওয়ার্টজের মতে, আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টরা দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ান প্রশ্নে একই ধরনের অবস্থান বজায় রাখলেও ট্রাম্প বিষয়টিকে ভ

ট্রাম্প-শি বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যু অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের ধারণা, বৈঠকে শি জিনপিং চীন স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানের কাছে মার্কিন অস্ত্র বিক্রি বন্ধে ট্রাম্পের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সাবেক চীন ও তাইওয়ান বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরিচালক জুলিয়ান গেওয়ার্টজ বিবিসিকে বলেন, উদ্বেগ হচ্ছে, শি জিনপিং চাপ প্রয়োগ করলে ট্রাম্প কোনো না কোনোভাবে ছাড় দিতে পারেন। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন একটি প্রদেশ হিসেবে দেখে এবং ভবিষ্যতে বেইজিংয়ের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার লক্ষ্য প্রকাশ্যে জানিয়েছে। প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের পথও তারা নাকচ করেনি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ‘ওয়ান চায়না’ নীতি সমর্থন করলেও তাইওয়ানের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। একই সঙ্গে মার্কিন আইনে দ্বীপটিকে আত্মরক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। বিশ্লেষক জুলিয়ান গেওয়ার্টজের মতে, আগের মার্কিন প্রেসিডেন্টরা দীর্ঘদিন ধরে তাইওয়ান প্রশ্নে একই ধরনের অবস্থান বজায় রাখলেও ট্রাম্প বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখেন। তিনি বলেন, ট্রাম্প বিভিন্ন সময় তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের আধিপত্য নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া তাইওয়ান ভৌগোলিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের অনেক কাছাকাছি, এ কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। এ বিশ্লেষকের মতে, তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের অবস্থান দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে স্পর্শকাতর ও ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow