ঠাকুরগাঁওয়ে পরীক্ষার কাগজ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষার সব কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও রায়হানুল ইসলাম বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম মেনে প্রতিষ্ঠানটির লিখিত নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নিরীক্ষকরা ভাইভা নেওয়া শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই আমার রুমে তারা অবস্থান করেন। এ অবস্থায় বিএনপি সভাপতি ও তার সহযোগীরা আমার রুমে আসেন। মব সৃষ্টি করে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘নিয়োগ পরীক্ষায় ৩০ লাখ টাকার লেনদেনের একটি বিষয় নিয়ে ইউএনওকে অবগত করতে গিয়েছিলাম। এসময় ইউএনও আমাদের কথা আমলে না নিলে আমাদের ছেলেরা কাগজপত্র নিয়ে চলে আসে। পরবর্তী আবারও সেগুলো দিয়ে আসা হয়েছে।’ মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে আটজন লিখি

ঠাকুরগাঁওয়ে পরীক্ষার কাগজ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী নিয়োগ পরীক্ষার সব কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেলে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ইউএনও রায়হানুল ইসলাম বলেন, ‘যথাযথ নিয়ম মেনে প্রতিষ্ঠানটির লিখিত নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরে নিরীক্ষকরা ভাইভা নেওয়া শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পরেই আমার রুমে তারা অবস্থান করেন। এ অবস্থায় বিএনপি সভাপতি ও তার সহযোগীরা আমার রুমে আসেন। মব সৃষ্টি করে নিরীক্ষকদের কাছ থেকে সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে যান। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন বলেন, ‘নিয়োগ পরীক্ষায় ৩০ লাখ টাকার লেনদেনের একটি বিষয় নিয়ে ইউএনওকে অবগত করতে গিয়েছিলাম। এসময় ইউএনও আমাদের কথা আমলে না নিলে আমাদের ছেলেরা কাগজপত্র নিয়ে চলে আসে। পরবর্তী আবারও সেগুলো দিয়ে আসা হয়েছে।’

মেদনিসাগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বলেন, ‘আয়া ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে আটজন লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। পরীক্ষা শেষে আমরা ইউএনও স্যারের রুমে বসেছিলাম। সেখান থেকে আমাদের সব কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় যাচ্ছি।’

তানভীর হাসান তানু/এসআর

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow