ডিউটির মাঝেই থেমে গেল সাবিনার জীবন, আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া
গাজীপুরের টঙ্গীর একটি কারখানায় ডিউটিরত অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন সাবিনা খাতুন নামের এক নারী শ্রমিক। এ ঘটনায় সহকর্মীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোক ও নীরব প্রশ্ন। শনিবার (৩ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ডিউটির সময় বাথরুমে যাওয়ার পথে হঠাৎ মাথা ঘুরে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন সাবিনা। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত সাবিনা খাতুন (৩৫) জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার বাসিন্দা। তিনি মাসকো গ্রুপের জিটু কারখানায় অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুদিন ধরেই তিনি শারীরিকভাবে দুর্বলতা অনুভব করছিলেন। তবে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে মর্মাহত এবং শোকাহত। কয়েক ঘণ্টা আগেও যিনি সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করেছেন, হাসিমুখে কথা বলেছেন— হঠাৎই তার এমন নিথর হয়ে পড়ে থাকা কেউ মেনে নিতে পারছেন না। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি আকস্মিক শারীরিক অসুস্থতার ফল। টঙ্গী পূর্ব থানার কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছেন। ঘটনার পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মর
গাজীপুরের টঙ্গীর একটি কারখানায় ডিউটিরত অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন সাবিনা খাতুন নামের এক নারী শ্রমিক। এ ঘটনায় সহকর্মীদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোক ও নীরব প্রশ্ন।
শনিবার (৩ মে) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ডিউটির সময় বাথরুমে যাওয়ার পথে হঠাৎ মাথা ঘুরে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন সাবিনা। সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত সাবিনা খাতুন (৩৫) জামালপুর জেলার বকশীগঞ্জ থানার বাসিন্দা। তিনি মাসকো গ্রুপের জিটু কারখানায় অপারেটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সহকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছুদিন ধরেই তিনি শারীরিকভাবে দুর্বলতা অনুভব করছিলেন। তবে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে মর্মাহত এবং শোকাহত। কয়েক ঘণ্টা আগেও যিনি সহকর্মীদের সঙ্গে কাজ করেছেন, হাসিমুখে কথা বলেছেন— হঠাৎই তার এমন নিথর হয়ে পড়ে থাকা কেউ মেনে নিতে পারছেন না।
কারখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি আকস্মিক শারীরিক অসুস্থতার ফল। টঙ্গী পূর্ব থানার কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছেন।
ঘটনার পর আনুষ্ঠানিকতা শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং তা নিজ জেলা জামালপুরে পাঠানো হয়েছে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের নয়, সহকর্মীদের মনেও রেখে গেছে গভীর বেদনার ছাপ। কর্মস্থলে এমন আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনা আবারও কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্যসুরক্ষা ও শ্রমিক কল্যাণ নিয়ে নতুন করে ভাবনার অবকাশ তৈরি করেছে।
What's Your Reaction?