ডেভিড-রেনশর চার-ছক্কার ঝড়, দিশাহারা বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার উড়ন্ত শুরুর পর চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। তবে টিম ডেভিড ও ম্যাট রেনশর বেদম পিটুনিতে এখন বড় পুঁজি সংগ্রহের পথে অস্ট্রেলিয়া। ২৯ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন রেনশ, রিশাদকে হাকিয়েছেন টানা ৩ ছক্কা। টিম ডেভিড আব্দুল গাফফার সাকলায়েনকে মেরেছেন এক ওভারে ২ ছক্কা। ১৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১২২ রান। এর আগে শুরুটা দুর্দান্ত করে অস্ট্রেলিয়া। নাসুম আহমেদের করা প্রথম ওভার থেকে আসে ১০ রান। পরের ওভার করতে আব্দুল গাফফার সাকলায়েন খরচ করেন ১৫ রান। প্রথম ২ ওভারে ২৭ রান তোলা অস্ট্রেলিয়া এরপর টানা দুই ওভারে হারায় ২ উইকেট। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে জস ইংলিসকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন নাসুম আহমেদ। রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার, এর আগে করেন ৬ বলে ১১ রান। পরের ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসেই উইকেট তুলে নেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার গতিতে অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেন্থে ডেলিভারি করেছিলেন তিনি, সেটা ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে সাইফ হাসানের হাতে ধরা পড়েন কুপার কনোলি। ব্যাটের বাইরে লেগে যাওয়া ক্যাচ লম্বা ডাইভ দিয়ে তালুবন্দি করেন সাইফ। এরপর পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে এসে সবচেয়ে বড় শিকারটা ধরেন মোস্তাফিজ।

ডেভিড-রেনশর চার-ছক্কার ঝড়, দিশাহারা বাংলাদেশ

অস্ট্রেলিয়ার উড়ন্ত শুরুর পর চেপে ধরেছিল বাংলাদেশ। তবে টিম ডেভিড ও ম্যাট রেনশর বেদম পিটুনিতে এখন বড় পুঁজি সংগ্রহের পথে অস্ট্রেলিয়া। ২৯ বলে ফিফটি তুলে নিয়েছেন রেনশ, রিশাদকে হাকিয়েছেন টানা ৩ ছক্কা। টিম ডেভিড আব্দুল গাফফার সাকলায়েনকে মেরেছেন এক ওভারে ২ ছক্কা। ১৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ১২২ রান।

এর আগে শুরুটা দুর্দান্ত করে অস্ট্রেলিয়া। নাসুম আহমেদের করা প্রথম ওভার থেকে আসে ১০ রান। পরের ওভার করতে আব্দুল গাফফার সাকলায়েন খরচ করেন ১৫ রান। প্রথম ২ ওভারে ২৭ রান তোলা অস্ট্রেলিয়া এরপর টানা দুই ওভারে হারায় ২ উইকেট। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে জস ইংলিসকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন নাসুম আহমেদ। রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি তার, এর আগে করেন ৬ বলে ১১ রান।

পরের ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসেই উইকেট তুলে নেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪৪ কিলোমিটার গতিতে অফ স্টাম্পের বাইরে ফুল লেন্থে ডেলিভারি করেছিলেন তিনি, সেটা ড্রাইভ করতে গিয়ে স্লিপে সাইফ হাসানের হাতে ধরা পড়েন কুপার কনোলি। ব্যাটের বাইরে লেগে যাওয়া ক্যাচ লম্বা ডাইভ দিয়ে তালুবন্দি করেন সাইফ।

এরপর পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে এসে সবচেয়ে বড় শিকারটা ধরেন মোস্তাফিজ। তাকে উড়িয়ে মারতে গিয়েছিলেন মিচেল মার্শ। সেটা ঠিকঠাক টাইমিং না হওয়াতে বল উপরে উঠে যায়, ৩০ গজের বৃত্ত থেকে পিছনে দৌড়ে দারুণ ক্যাচ ধরেন সাইফ হাসান। ফেরার আগে ১৯ বলে ২০ রান করেন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক।

তবে টিম ডেভিড এরপর পালটা আক্রমণে সব চাপ সরিয়ে দেন। ৮ থেকে ১০, এই ৩ ওভারে ৪০ রান যোগ হয় স্কোরবোর্ডে। এর মধ্যে দশম ওভার করতে আসা সাকলাইনকে ওই ওভারেই ডেভিড হাঁকান ২ ছক্কা ও ১ চার। এরপর ত্রয়োদশ ওভারে রিশাদ হোসেনকে টানা ৩ ছক্কা হাঁকান ম্যাট রেনশ। এর মধ্যে তৃতীয় ছক্কায় ২৯তম বলে ফিফটি পূর্ণ করেন রেনশ।

এসকেডি/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow