ড্রোন হামলার পর ইরাকে তীব্র জ্বালানি সংকট, দুর্ভোগে জনজীবন
ড্রোন হামলার জেরে জ্বালানি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ সারি, বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এবং রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। খবর আনাদোলু এজেন্সির। শুক্রবার ভোরে এরবিল ও সুলাইমানিয়া শহরের কয়েকটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার পর একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা অঞ্চলের চলমান নিরাপত্তা অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করেছে। এর আগে ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর হামলার কারণে কুর্দিস্তান অঞ্চলে কার্যরত জ্বালানি কোম্পানিগুলো উৎপাদন স্থগিত করতে বাধ্য হয়। এতে জ্বালানি ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এরবিল, সুলাইমানিয়া ও দোহুকজুড়ে পেট্রোলপাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন চালকেরা। অনেকে জ্বালানির আশায় রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন। সংকটের প্রভাব বিদ্যুৎ খাতেও পড়েছে। আগে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও এখন দিনে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে, বি
ড্রোন হামলার জেরে জ্বালানি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে পেট্রোলপাম্পে দীর্ঘ সারি, বিদ্যুৎ সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন এবং রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
শুক্রবার ভোরে এরবিল ও সুলাইমানিয়া শহরের কয়েকটি স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলার পর একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, যা অঞ্চলের চলমান নিরাপত্তা অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করেছে।
এর আগে ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর হামলার কারণে কুর্দিস্তান অঞ্চলে কার্যরত জ্বালানি কোম্পানিগুলো উৎপাদন স্থগিত করতে বাধ্য হয়। এতে জ্বালানি ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
এরবিল, সুলাইমানিয়া ও দোহুকজুড়ে পেট্রোলপাম্পে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন চালকেরা। অনেকে জ্বালানির আশায় রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।
সংকটের প্রভাব বিদ্যুৎ খাতেও পড়েছে। আগে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া গেলেও এখন দিনে মাত্র ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে, বিশেষ করে গ্রীষ্মের চাহিদার সময়।
এদিকে রান্নার গ্যাসের দামও বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পরিবেশগত কারণে আগে বন্ধ করে দেওয়া বেসরকারি পাড়া-মহল্লার জেনারেটরগুলো আবার চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
What's Your Reaction?