ঢাবি ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা অর্ণব দুইদিনের রিমান্ডে

৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের ছাত্রদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক সদস্য মাহি চৌধুরী অর্ণবকে দুইদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র এবং মাহিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আত্মসাৎকৃত অর্থের অবস্থান, চক্রের অন্য সদস্যদের তথ্য ও মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হবে। বাদীপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দেন আর আসামিপক্ষের খোরশেদ আলম ভূইয়া জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মাহিকে দুই দিনের রিমান্ডে রাখার সিদ্ধান্ত দেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জুন থেকে ফেসবুকের একটি ‘ইনভেস্টর গ্রুপ’ এর মাধ্যমে মাহি চৌধুরীর সঙ্গে ভুক্তভোগী মো. শাকিরুল ইসলাম হিমেলের পরিচয় হয়। মাহি নিজেকে একটি ক্যাটারিং ও অ্যাকসেসরিজ ব্যবসার অংশীদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখান। হিমেল তার কথায় বিশ্বাস করে বিভিন্ন

ঢাবি ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা অর্ণব দুইদিনের রিমান্ডে

৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মহসিন হলের ছাত্রদলের বহিষ্কৃত আহ্বায়ক সদস্য মাহি চৌধুরী অর্ণবকে দুইদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালতে এ আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক মো. সাজ্জাদ হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারণা চক্র এবং মাহিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আত্মসাৎকৃত অর্থের অবস্থান, চক্রের অন্য সদস্যদের তথ্য ও মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন সম্ভব হবে।

বাদীপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দেন আর আসামিপক্ষের খোরশেদ আলম ভূইয়া জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মাহিকে দুই দিনের রিমান্ডে রাখার সিদ্ধান্ত দেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১ জুন থেকে ফেসবুকের একটি ‘ইনভেস্টর গ্রুপ’ এর মাধ্যমে মাহি চৌধুরীর সঙ্গে ভুক্তভোগী মো. শাকিরুল ইসলাম হিমেলের পরিচয় হয়। মাহি নিজেকে একটি ক্যাটারিং ও অ্যাকসেসরিজ ব্যবসার অংশীদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিনিয়োগের প্রলোভন দেখান। হিমেল তার কথায় বিশ্বাস করে বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক ও নগদে মোট ৩৮ লাখ ২৮ হাজার ১৫০ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু মাহি লভ্যাংশ বা মূল টাকা ফেরত না দিয়ে আত্মগোপন করেন।

তদন্তে জানা যায়, টাকা ফেরত চাইতে গেলে মাহি ও তার সহযোগীরা ভুক্তভোগীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন। মামলায় মাহি চৌধুরী, তার পিতা নাজমুল করিম চৌধুরীসহ তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

এমডিএএ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow