ঢাবির দুই বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের ৩৭ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ৩২ তম ব্যাচ এবং সংস্কৃত বিভাগের ২০২৩-২০২৪ ও ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) বিভাগ দুটির নবীন-বরণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী লেকচার গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, কঠোর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা দেশ সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। সেইসঙ্গে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যেকোন সমস্যায় পড়লে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। শিক্ষার্থীরা নিজের অধিকার অর্জনের যেমন চেষ্টা করবে, তেমন অন্যের অধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারেও সচেষ্ট থাকবে। একাডে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের ৩৭ তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ ও ৩২ তম ব্যাচ এবং সংস্কৃত বিভাগের ২০২৩-২০২৪ ও ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ২০১৮-২০১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) বিভাগ দুটির নবীন-বরণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অনুষ্ঠানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী লেকচার গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, কঠোর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা দেশ সেরা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। সেইসঙ্গে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যেকোন সমস্যায় পড়লে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। শিক্ষার্থীরা নিজের অধিকার অর্জনের যেমন চেষ্টা করবে, তেমন অন্যের অধিকার সংরক্ষণের ব্যাপারেও সচেষ্ট থাকবে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে পারদর্শী হওয়ার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
অন্যদিকে সংস্কৃত বিভাগের অনুষ্ঠানটি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কখনোই এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয় না; তারা আজীবন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। শতবর্ষী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভূমিকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা সম্পন্ন করে কর্মজগতে প্রবেশ করা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার ও দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। বিশেষ করে প্রথম বর্ষে মনোযোগী হওয়া ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও সহ-শিক্ষামূলক কার্যক্রমে যুক্ত হতে হবে।
এসময় কলা অনুষদের ডিন ও সংস্কৃত বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংস্কৃত বিভাগের অনারারি অধ্যাপক ড. নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ড. অসীম সরকার ও অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদারসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?